Monday, 29 June, 2026
29 June
HomeকলকাতাWB: এটা ভদ্রলোকেদের আইন নয়; বাংলায় পাস গুন্ডা দমন বিল

WB: এটা ভদ্রলোকেদের আইন নয়; বাংলায় পাস গুন্ডা দমন বিল

'গুন্ডা দমন বিল' কী? সহজ ভাষায় পুরোটা জানতে পারবেন এই প্রতিবেদনে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিধানসভায় বিল নিয়ে সওয়াল মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। গুণ্ডা দমন বিল নিয়ে জবাবি ভাষণ তাঁর। সোমবার সকালেই বিল পেশ করলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা।

বিরোধী শিবিরের তুমুল হইহট্টগোলের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকারি বা সাধারণ মানুষের সম্পত্তি ধ্বংস করলে এবার আর পার পাওয়া যাবে না; অপরাধীদের ঘরবাড়ি বিক্রি করে দ্রুত সেই ক্ষতিপূরণ উসুল করবে প্রশাসন।

এ দিন বক্তব্য শুরু করতেই মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভার দর্শক গ্যালারির দিকে আঙুল তুলে জানান, রাজনৈতিক হিংসার শিকার হওয়া পরিবারগুলি আজ সশরীরে এই হাউসে উপস্থিত। ডায়মন্ড হারবারে খুন হওয়া রাজু সামন্তের পরিবার, মুর্শিদাবাদের নিহত হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসের পরিবার এবং নন্দীগ্রামে স্রেফ নতুন সরকারকে ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ আক্রান্ত দেবব্রত মাইতির পরিজনেরা আজ গ্যালারিতে বসে বিচার চাইছেন।

বিগত সরকারকে বিঁধে শুভেন্দুর তোপ, “তৎকালীন সরকার যদি সময়মতো কঠোর ব্যবস্থা নিত এবং সাধারণ অপরাধ ও ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির মধ্যে তফাৎ বজায় রাখত, তবে আজ এই পরিবারগুলোকে এ দিন দেখতে হত না। আপনারা নির্বাচনে শুধু হারেননি, মানুষ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।”

নিজেদের বিপুল জয়ের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি জানান, মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে ১ লাখ ৪ হাজার, ইংলিশবাজারে প্রায় ১ লাখ এবং ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ী আসনেও প্রায় লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় এসেছে। অন্যদিকে, কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রের ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ‘মাইনাস’ (পিছিয়ে) ছিলেন, কেবল ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের জোরে কোনওমতে বৈতরণী পার হয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ দেখুন তো মিল পান কিনা হিন্দি সিনেমার সাথে…! গোসাবার বেতাজ বাদশা ঝোড়ো ঢালি

বিরোধী শিবিরের ‘অধঃপতন’ ও বাম আমলের হার্মাদরাজ

বর্তমানে বিরোধী বেঞ্চের বিশৃঙ্খলাকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে বিধানসভায় কোনও শক্তপোক্ত অপজিশন নেই। কেউ কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন, কেউ আবার নিজের দলের লোকের জামা ধরে টানছেন। কারও দাবি, তিনিই আসল তৃণমূল, আবার কেউ অন্যকে ল্যাম্পপোস্ট বলছেন।”

রাজনীতিতে এই ধরনের চরম দুর্বৃত্তায়নের ইতিহাস টেনে শুভেন্দু বলেন, “আমি নিজে ছাত্র রাজনীতি করে ধাপে ধাপে কাউন্সিলর ও বিধায়ক হয়েছি। রাজনীতিতে এই অধঃপতনের সূত্রপাত হয়েছিল বামেদের আমলে। ২০০১ সালে পরিবর্তনের জনমতকে গায়ের জোরে আটকাতে তৈরি করা হয়েছিল ‘হার্মাদ বাহিনী’। লক্ষ্মণ শেঠ, সুশান্ত ঘোষ, অমিয় পাত্রদের মতো নেতারা সেই জমানার সৃষ্টি। তবে হ্যাঁ, এবার ডোমকল থেকে ওদের (সিপিএম) একজন ভদ্রলোক অন্তত জিতে এসেছেন।”

২০১৯-এর হিংসা ও ‘ক্যা ক্যা ছি ছি’র স্মৃতিচারণ

২০১৯ সালের এনআরসি ও সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নামে রাজ্যে যে ব্যাপক তাণ্ডব চলেছিল, এ দিন তার বিশদ বিবরণ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে মন্তেশ্বরে পরাজিত প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ধর্মীয় নেতা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “তিনি ছোট ছোট বাচ্চাদের ধর্মীয় পোশাক পরিয়ে রাস্তায় নামিয়েছিলেন। ভুল বুঝিয়ে বলেছিলেন, এটা সিএএ নয়, এনআরসি; সবার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে। আর এর পরেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং ‘ক্যা ক্যা ছি ছি’ স্লোগান দিয়ে সিঁথির মোড় থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিল করলেন। চারদিকে আগুন জ্বলল।”

মুখ্যমন্ত্রী অতীত মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, সেই সময়ে সামশিতে রেললাইন উপড়ে ফেলা হয়েছিল। রেজিনগর স্টেশনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সাঁতরাগাছিতে একসঙ্গে ৩৭টি বাস পুড়িয়ে দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২২টি ছিল সরকারি বাস। তাঁর কথায়, “আমি তখন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানালে তিনি বলেছিলেন— ‘কিছু করা যাবে না, পুলিশকে বলেছি কথা বলতে।’ এর পর নুপূর শর্মার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে হাওড়ায় টানা ৩৬ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে রাখা হলো। গ্রামের রাস্তায়, টোল প্লাজার পাশে এক প্রসূতি মা সন্তান প্রসব করতে বাধ্য হলেন। বেথুয়াডহরি, উলুবেড়িয়া এবং করমন্ডল এক্সপ্রেসে কী তাণ্ডব করা হয়েছিল, তা রাজ্যবাসী ভোলেনি।”

“আমার কাছে দু’বার হেরেছেন”, তোষণের রাজনীতির পর্দাফাঁস

মুখ্যমন্ত্রীর পুরনো আসনের দিকে ইঙ্গিত করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যিনি এখানে বসতেন, তিনি নন্দীগ্রামে আমার কাছে দু-দু’বার হেরেছেন। ওয়াকফ সংশোধনী বিলের বিরোধিতার নামে মোথাবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হল, ভাঙচুর করা হল। আমি নিজে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে ১২ দিন পর সেখানে ঢুকেছিলাম। বেছে বেছে হিন্দুদের দোকান লুট করা হল আর মুসলিমদের দোকান ছেড়ে দেওয়া হল। অথচ তৎকালীন সরকার চাইলে আধাসেনা নামিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারত, কিন্তু ভোটব্যাঙ্কের লোভে তা করা হয়নি।”

তিনি বলেন, “ধুলিয়ানে বড় বড় শোরুম ও বাইকের দোকান পুড়িয়ে লুটপাট চালানো হল। বর্তমান নওদার বিধায়ক (হুমায়ুন কবীর) আজ যে ভাষায় ধমকাচ্ছেন, তা আসলে বিগত সরকারের তোষণ-পাপের ফল। তবে তাঁকে কোন ভাষায় সবক শেখাতে হয়, তা এই নতুন সরকার ভালভাবেই জানে। আপনাদের দল কেন সিমির (SIMI) ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা লোককে রাজ্যসভায় পাঠায়? কেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী তদন্তের কাজে বাধা দেন?”

“এই পুলিশমন্ত্রী আলাদা, ভিটেমাটি বেচে ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে”

নতুন বিলের কড়া প্রয়োগের আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, এই আইন কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা অপপ্রয়োগের জন্য আনা হয়নি। এর একমাত্র লক্ষ্য— দাঙ্গা, অশান্তি এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের সংস্কৃতি রোখা।
কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আসানসোলে আমরা দাঙ্গাকারীদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেখিয়েছি। এবারও দরকার হলে দাঙ্গাবাজদের ভিটেমাটি বিক্রি করে পাইপয়সা উসুল করা হবে, এবং তা অত্যন্ত দ্রুত করা হবে। পার্ক সার্কাসে পুলিশের ওপর ঢিল মেরে, মাথা ফাটিয়ে রক্ত ঝরিয়ে ভাবছেন পার পেয়ে যাবেন? আগে কালীঘাট থানায় টেবিলের তলায় পুলিশ লুকাত, কিন্তু মনে রাখবেন— এই পুলিশমন্ত্রী আলাদা। আগের সেই প্র্যাকটিস আর চলবে না। এই আইন শুধুমাত্র গুন্ডা ও দাঙ্গাকারীদের দমনের জন্য প্রযোজ্য।”

সবশেষে ভাঙড় প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচনে ভাঙড়ে একটাও মৃত্যু ঘটেনি। আমরা ভাঙড়কে এবার স্পর্শ করিনি, কারণ ওখানে বিজেপির কোনও স্টেক নেই। আমরা যদি ওখানে খাতা খুলতে যেতাম, তবে আজ যিনি এই বিলের বিরোধিতা করছেন (নওশাদ সিদ্দিকি), তিনি এই হাউসে আসতে পারতেন না; বরং যিনি এখন জেলে আছেন (আরাবুল ইসলাম), তিনি এখানে বসে থাকতেন।”

‘গুন্ডা দমন বিল’ কী? সহজ ভাষায় পুরোটা জানতে পারবেন এই প্রতিবেদনে। পুরো নাম ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিস বিল, ২০২৬’। বলা হচ্ছে, এই বিলের লক্ষ্য সংগঠিত অপরাধ এবং বিশৃঙ্খলা দমন। বিল পাশ হলে রাজ্য প্রশাসনের ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তবে এর কিছু অংশ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সমালোচকরা বলছেন, এতে নাগরিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। প্রশাসন অতিরিক্ত ক্ষমতার অপব্যবহারও করতে পারে। 

এই বিলে ঠিক কী রয়েছে?
খসড়া অনুযায়ী, কোনও জেলাশাসক (DM), পুলিশ কমিশনার (CP), কিংবা রাজ্য সরকার দ্বারা নিযুক্ত ডিআইজি (DIG) পদমর্যাদার কোনও পুলিশ আধিকারিক যদি মনে করেন যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ‘গুন্ডা’ সমাজবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছেন বা লিপ্ত হতে পারেন, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা যাবে।

বিলের বিধান অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ওই ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট এলাকা বা জেলা থেকে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য বহিষ্কার (Externment) করতে পারবেন।

অর্থাৎ, ওই সময়ের জন্য তাঁর সেই নির্দিষ্ট এলাকায় প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তিকে তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে পুলিশকে নিয়মিত রিপোর্ট করতে হবে। অথবা নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে নিয়মিত হাজিরা দিতে হবে। 

ঠিক কোন কোন বিষয়ে জোর?
নয়া বিলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ এবং গুন্ডামির পরিধি ও সংজ্ঞাও লেখা আছে। পিটিআই (PTI) সূত্রে খবর, এই আইনে কয়েকটি বিষয়ে  জোর দেওয়া হয়েছে:

বছর বিনা বিচারে আটক: বিলের এই দিকটি নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। খসড়ায় বলা হচ্ছে, জনসুরক্ষার স্বার্থে কোনও ব্যক্তিকে বিনা বিচারে সর্বোচ্চ ১২ মাস(অনুমোদিত হলে) পর্যন্ত ‘প্রতিরোধমূলক’ আটক (Preventive Detention) করে রাখা যাবে। এই ধারাটি ১৯৮০ সালের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের (National Security Act) মতোই। সেই আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সন্দেহভাজনকে এক বছর পর্যন্ত আটকে রাখার অধিকার রয়েছে প্রশাসনের।

জামিন অযোগ্য ধারা তল্লাশি: পিটিআই সূত্রে খবর, নতুন বিলের অধীনে নির্দিষ্ট কিছু অপরাধকে(নিচে উল্লেখ করা আছে) গুরুতর (Cognisable) এবং জামিন অযোগ্য (Non-bailable) করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পুলিশকে বিনা ওয়ারেন্টে তল্লাশি চালানো, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং গ্রেফতার করার ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।

আশ্রয় দিলেও অপরাধ: অনেক সময় অভিযুক্তরা বন্ধু বা আত্মীয়ের বাড়ি গিয়ে লুকিয়ে থাকেন। নয়া বিল বলছে, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি আটক বা বহিষ্কারের নির্দেশ জারি থাকে, তবে তাঁকে আশ্রয় দেওয়া বা কোনও রকম সাহায্য করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

কাদের সমাজবিরোধী এবংগুন্ডাবলা হবে?
চলতি বাংলায় পাড়ার দাপুটে ‘দাদা’কেও গুন্ডা বলা যায়। কিন্তু আইনে তো আর তেমন হয় না! তাই এই বিলের খসড়ায় অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ‘সমাজবিরোধী’ এবং ‘গুন্ডা’, এই দুই শব্দের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ২৪ কাশীনাথ দত্ত স্ট্রিট, কলকাতায় ভেঙে পড়ল পুরনো দোতলা বাড়ি

সমাজবিরোধী কার্যকলাপ (Anti-Social Activity) কী?
আইনের খসড়া অনুযায়ী, এগুলিই সমাজবিরোধী কার্যকলাপ:

১) সাধারণ মানুষ বা সমাজের কোনও অংশের মধ্যে আতঙ্ক, ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করা।

২) জীবন, সম্পত্তি বা ব্যক্তির সুরক্ষা বিঘ্নিত করা।

৩) জনশৃঙ্খলা বা সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত করা।

৪) কোনও আইনি অধিকার বা বৈধ ব্যবসা, বাণিজ্য এবং পেশায় বাধা সৃষ্টি।

৫) স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি থেকে কাউকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করা।

৬) সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করা এবং খনি, বালিখাদান, বনজ সম্পদ বা বন্যপ্রাণীর বেআইনি পাচার, এমন কাজ যার ফলে সরকারি কোষাগারের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

আইনের চোখেগুন্ডা (Goonda) কারা?
১) যিনি একা বা কোনও দল বা সিন্ডিকেটের নেতা বা সদস্য হিসেবে নিয়মিত সমাজবিরোধী কাজ করেন বা তাতে মদত ও অর্থ জোগান দেন।

২) ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ (BNS)-এর ১১১ বা ১১২ নম্বর ধারায় যাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

৩) অস্ত্র আইন (Arms Act), এনডিপিএস অ্যাক্ট (NDPS Act), বিস্ফোরক পদার্থ আইন (Explosive Substances Act) বা অনৈতিক পাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে অপরাধের সাথে যুক্ত ব্যক্তি।

৪) যিনি সাধারণ মানুষের কাছে বিপজ্জনক বা বেপরোয়া হিসেবে পরিচিত।

সোমবার বিধানসভায় এই বিল পাশ হয়। আগামিদিনে গোটা বিষয়টি কোনদিকে এগোয়, এখন সেটাই দেখার।

এর সম্পর্কে আপনার কী বিশ্লেষণ? জানান কমেন্টে।

 

 

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন