রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বারাণসীর লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা চেকিং চলাকালীন এক যাত্রীর আগ্নেয়াস্ত্র থেকে হঠাৎ গুলি চলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই দুর্ঘটনায় বিমানবন্দরে কর্মরত দুই নিরাপত্তাকর্মী এবং এক মহিলা ও শিশু সহ মোট চারজন জখম হয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ মুকুটটা তো পড়ে আছে , রাজাই শুধু নেই…! ছুটির দিনে জীবন থেকে ছুটি নিলেন পরিচালক রাজা সেন
ঘটনার বিবরণ ও আহতদের তথ্য
-
গন্তব্য ও সময়: আজমগড়ের এক বাসিন্দা তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে সকালের বারাণসী-মুম্বইগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ওঠার জন্য বিমানবন্দরে এসেছিলেন। নিয়মমাফিক সিকিউরিটি চেকিং লাইনে দাঁড়ানোর পর এই অঘটন ঘটে।
-
আহতদের পরিচয়:
-
নিরাপত্তাকর্মী (মহিলা): উরুতে গুলি লাগে।
-
নিরাপত্তাকর্মী (পুরুষ): হাতে গুলি লাগে।
-
অন্যান্য: লাইনে থাকা এক মহিলা এবং একটি শিশু সামান্য আহত হয়।
-
-
বর্তমান অবস্থা: আহত চারজনকেই দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থাই স্থিতিশীল।
আরও পড়ুনঃ “সবাইকে ডাকো, শূয়*রের…”; বাম আমলে ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ‘মাষ্টারমশাই!’ আশিস বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের মুখের ভাষা
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও প্রশ্ন
বারাণসী বিমানবন্দরের ডিরেক্টর পুনীত গুপ্তা জানান, আজমগড়ের ওই যাত্রী চেকিংয়ের শুরুতেই তাঁর কাছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থাকার কথা নিরাপত্তাকর্মীদের জানান। তবে সেই লাইসেন্স ও আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষার সময় নিরাপত্তারক্ষী বা যাত্রীর অসাবধানতাবশত ভুলবশত (Accidental fire) এক রাউন্ড গুলি চলে যায়।
বারাণসীর মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও হাই-সিকিউরিটি জোনে ভরা ভিড়ের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষা করার সময় কীভাবে এমন চূড়ান্ত গাফিলতি ঘটল এবং সেফটি লক বা গুলি লোড থাকা অবস্থায় তা হ্যান্ডেল করা হলো কেন, তা নিয়ে বড়সড় সুরক্ষাজনিত প্রশ্ন উঠে গেছে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।


