Sunday, 16 August, 2026
16 August
HomeকলকাতাAsish Banerjee: "সবাইকে ডাকো, শূয়*রের…"; বাম আমলে ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গ...

Asish Banerjee: “সবাইকে ডাকো, শূয়*রের…”; বাম আমলে ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ‘মাষ্টারমশাই!’ আশিস বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের মুখের ভাষা

তৎকালীন বিরোধী দলের একাধিক বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ এবং পরবর্তীতে আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুগলির সিঙ্গুরে প্রবেশের সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভায় এক উত্তপ্ত ও নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তৎকালীন বিরোধী দলের একাধিক বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ এবং পরবর্তীতে আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুনঃ ‘‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’’; সুইসাইড নোট উদ্ধার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেহের সঙ্গে

তবে এই ঘটনায় সাবেক বিধায়ক ও মন্ত্রী ডা. আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সংক্রান্ত দাবিটির সঙ্গে সাম্প্রতিক (১৬ আগস্ট, ২০২৬) ঘটনার যোগসূত্র সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য স্পষ্ট করা প্রয়োজন:

১. ২০০৬-এর ঘটনার প্রেক্ষাপট

  • ঘটনার দিন: ২০০৬ সালের ৩০ নভেম্বর সিঙ্গুরে প্রবেশে বাধা পাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতে বিধানসভায় পৌঁছলে তৎকালীন তৃণমূল বিধায়কদের সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মীদের বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।

  • বিধানসভায় তাণ্ডব: এই ঘটনার জেরে বিধানসভার ভেতরের আসবাবপত্র, মাইক ও টেবিল ভাঙচুর করা হয়েছিল, যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অভূতপূর্ব বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

  • আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম: সেদিনের এই বিক্ষোভে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ বিধায়ক উপস্থিত থাকলেও, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে কাঁচা ভাষায় অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে কাউকে প্ররোচিত করেছিলেন—এমন কোনো সরকারি বা সংসদীয় রেকর্ড নেই। কিন্তু তার ভিডিও ফুটেজ আছে।

২. আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু ও সুইসাইড নোট উদ্ধার

১৬ আগস্ট, ২০২৬ (রবিবার) সকালে রামপুরহাটের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাটতলাপাড়ায় নিজের বাসভবন সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে প্রবীণ রাজনীতিবিদ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

  • উদ্ধার হওয়া চিঠি: পুলিশ তাঁর দেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। সেই নোটে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়

  • রাজনৈতিক ক্ষোভ ও আক্ষেপ: নোটে তিনি লিখে গিয়েছেন, তিনি কোনোদিন কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং কোনো কাজের বিনিময়ে এক পয়সাও নেননি। তবে রাজনীতির অন্যায়ের প্রতিবাদ না করতে পারার আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন—“আজ তাই মনে হচ্ছে, রাজনীতিতে আসাটাই ভুল হয়েছে।”

  • পরিবারকে পরামর্শ: নিজের পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকে ভবিষ্যতে কোনোভাবেই রাজনীতিতে না জড়ানোর এবং নিজ নিজ পেশায় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ উদ্ধার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ; মমতার আমলের ডেপুটি স্পিকারের রহস্যমৃত্যু

৩. পুলিশি তদন্ত

বর্তমানে রামপুরহাট থানার পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। সুইসাইড নোটের হস্তাক্ষর পরীক্ষা এবং ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টের পরই তাঁর এই চরম পদক্ষেপের প্রকৃত কারণ সম্পর্কিত বিশদ তথ্য সামনে আসবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন