ভাঙড়ে বোমা উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এমনই নির্দেশ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, এর নেপথ্যে বড়সড় কোনও চক্রান্ত ছিল।
আরও পড়ুনঃ ১০০ মিটার চৌহদ্দিতে আরও কড়া নজরদারি দ্বিতীয় দফায়; বুথমুখী রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা!
দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বোমা উদ্ধার করতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তর কাশীপুর থানা মাঝেরহাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। তাতে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বোমার মতো দেখতে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু এবং গান পাউডার উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলে যায় কলকাতা পুলিশের বম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াড। তাঁদের সাহায্যে ৭৯টি ক্রুড বোম, প্রায় ৩.৩৭ কেজি গান পাউডার, ১.৬১ কেজি সালফার এবং পাটের দড়ি পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্তও করা হয়েছে। থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ মামলা রুজু করলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ বার সেই বোমা এবং বোমার মশলা উদ্ধারের ঘটনাকে ‘গুরুত্ব’ দিয়ে দেখে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক দ্রব্য মজুত করা, বিস্ফোরক তৈরি করা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় এবং সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে। যাতে প্রাণহানি বা সম্পত্তি নষ্টের সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁদের নিরাপত্তার খাতিরে এবং ষড়যন্ত্রীদের ধরতে ঘটনাটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন রয়েছে। এনআইএ মনে করছে, এই বোমা উদ্ধারের নেপথ্যে অন্য কোনও যড়যন্ত্র থাকতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গে যোগীর দোর্দণ্ডপ্রতাপ ‘সিংঘম’! সেনাপতি গড়ে এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট পাঠাল কমিশন
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার, এনআইএ সূত্রের খবর, উত্তর কাশীপুর থানার এফআইআরকে সামনে রেখে দিল্লিতে একটি মামলা (RC-25/2026/NIA/DLI) রুজু করা হয়েছে। সোমবার এনআইএ-এর তদন্তকারী আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে যেতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সেখান থেকে তাঁরা নমুনা সংগ্রহ করবেন। এ ছাড়াও, উত্তর কাশীপুর থানায় গিয়ে মামলা সংক্রান্ত কাগজপত্র নিজেদের হেফাজতে নেবেন।



