আমি এর আগে একাধিকবার লিখেছি, বিশ্ব বাংলায় এবারের নির্বাচন অভূতপূর্ব হতে চলেছে। সাংবাদিক হিসেবে গত পাঁচ বছরে, খুব কাছ থেকে, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, বিহার এবং অসমে হিংসামুক্ত, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখেছি। বিশুদ্ধ ভারতীয়রা সেই সব রাজ্যে পছন্দের সরকার নির্বাচন করেছেন।
বিশ্ব বাংলাতেও এবার গত সাড়ে পাঁচ দশকের রাজনৈতিক হিংসার ইতিহাসকে, ইতিহাসের পাতাতেই স্থান করে দিতে বদ্ধপরিকর, জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’! গাফিলতি মানবে না কমিশন
ভোটের আগের রাতে গ্রামে গ্রামে মোটর বাইক বাহিনীর তাণ্ডব, বুথ দখল, ছাপ্পা, রিগিং মুক্ত ভোট হবে এবার।

সাংবাদিক জীবনে কখনও এই দৃশ্য দেখিনি। এবার দেখলাম। CRPF, CISF, BSF, SSB, ITBP…. সব কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ কর্তারা কলকাতায় পৌঁছলেন। ভোটের কাজে নিযুক্ত সব কমান্ড্যান্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্টদের নিয়ে আলোচনা করলেন।
আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’! গাফিলতি মানবে না কমিশন
উদ্দেশ্য একটাই। “নির্ভয়ে ভোট” এর বাতাবরণ তৈরি। দিল্লিতে বসে বুঝছি, বিশ্ব বাংলার “রক্তাক্ত ভোট সংস্কৃতি” বন্ধে সংবিধানে হাত রেখে শপথ নিয়ে, ভোট পরিচালনা করতে নেমেছে কমিশন।
আগেই বলেছি। ফের বলছি। বেচাল হলেই এবার স্যাঁটা ভাঙা মার।
কান কাটা, গাল কাটা, সোনা, মনারা সাবধান…



