কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
রবিবার ৪ অক্টোবর মধ্যরাতে (রাত ১২:১২ এবং ১২:১৩ মিনিটে) পরপর দুই বার ৫.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, বাংলাদেশ ও মায়ানমারের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে পর পর জোড়া কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন সাধারণ মানুষ।
মাঝরাতের এই ঘটনায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ সুমিত রায় ফের ২ দিনের পুলিশি হেফাজতে; কালীঘাটের বাসিন্দাদের নামে একাধিক সিম ব্যবহার
ভূমিকম্পের স্থানাঙ্ক ও ভৌগোলিক প্রভাব
জোড়া ভূকম্পনের উৎস এবং এর প্রভাব সংক্রান্ত প্রাথমিক বিবরণ:
-
সময় ও মাত্রা: ৪ অক্টোবর রাত ১২:১২ মিনিটে প্রথম এবং ঠিক ১ মিনিট পর ১২:১৩ মিনিটে দ্বিতীয় ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে দুটি কম্পনেরই মাত্রা ছিল ৫.০।
-
প্রভাবিত অঞ্চলসমূহ: ভারত (বিশেষত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি ও সংলগ্ন এলাকা), সমগ্র বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সীমান্ত অঞ্চল।
-
প্রভাব: অল্প সময়ের ব্যবধানে জোড়া কম্পনের ফলে বহু বহুতল ও বাসাবাড়িতে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও ভয় ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ ‘ডাবল’ মজা এবার উৎসবে, আরও সস্তা স্কচ
বর্তমান পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব
| বিষয় / ক্ষেত্র | বর্তমান স্থিতি ও প্রশাসনিক আপডেট |
| ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ | প্রাথমিক সূত্রে কোনো বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষতি বা হতাহতের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। |
| প্রশাসনিক সতর্কতা | তিন দেশের সীমান্ত ও উদ্ধারকারী দলগুলিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। কোনো আফটারশক (Aftershock) আসে কি না, সেদিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। |
| ভূ-তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতামত | একই গভীরতা ও উৎস থেকে পর পর দুটি মাঝারি মাত্রার কম্পন সৃষ্টি হওয়ায় এর প্রকম্পন বেশ কয়েকটি জায়গায় স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। |
মাঝরাতের এই জোড়া কম্পনে কোনো বড় বিপর্যয় না ঘটলেও সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলিতে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর।


