নয়াদিল্লি:
সংসদে পেশ হওয়া ‘ফরেন করেসপন্ডেন্স রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুরের সমালোচনার কঠোর জবাব দিয়েছে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ভারতের আইন প্রণয়ন সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এটি ভারতের সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যেই বিচার করা উচিত।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে আমেরিকা, বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে নিজস্ব আইন প্রয়োগ করে। তাই ভারতের আইন নিয়ে বাইরের কোনো দেশের মন্তব্যের কোনও ভিত্তি নেই।”
আরও পড়ুনঃ শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সমর্থন করে না ভারত, নয়াদিল্লির স্পষ্ট বার্তা
বিলের প্রস্তাবিত সংশোধনী
২০১০ সালের FCRA আইনে প্রস্তাবিত এই সংশোধনী অনুযায়ী:
- কোনও সংস্থার FCRA রেজিস্ট্রেশন বাতিল বা নবীকরণ না হলে, সরকার মনোনীত কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ওই সংস্থার বিদেশি অনুদান ও সম্পদের দেখভালের দায়িত্ব নিতে পারবে।
- তবে ধর্মীয় উপাসনালয় বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সম্পত্তি পরিচালনার সময় ধর্মীয় চরিত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।
আরও পড়ুনঃ অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি এলাকা সরকারি মানচিত্রে চিহ্নিত, চিনকে কঠোর বার্তা
কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান
সরকার দাবি করেছে, সংশোধনীর লক্ষ্য কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া নয়, বরং বিদেশি অনুদানে তৈরি সম্পদের সুরক্ষা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা। যদিও বিল নিয়ে দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, বিদেশ মন্ত্রক মনে করে এই আইন ভারতের নিজস্ব নীতি নির্ধারণের অংশ এবং তা সম্মান করা উচিত।


