Tuesday, 1 September, 2026
1 September
HomeকলকাতাBangla: প্রশাসনিক কাজে বাংলা কি কেবলই ঘোষণা? ১ সেপ্টেম্বরের নোটিফিকেশন ঘিরে প্রশ্ন...

Bangla: প্রশাসনিক কাজে বাংলা কি কেবলই ঘোষণা? ১ সেপ্টেম্বরের নোটিফিকেশন ঘিরে প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি

নীতি প্রণয়নকারী বিভাগ নিজেই প্রথম দিনে নিয়ম ভঙ্গ করেছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

১লা সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রশাসনিক কাজ বাধ্যতামূলকভাবে বাংলা ভাষায় সম্পাদনের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও প্রথম দিনেই তার উল্টো ছবি ধরা পড়ল নবান্নে। রাজ্য প্রশাসনের নীতি নির্ধারণী ও মুখ্য পরিচালনা কেন্দ্র পারসোনেল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস (P&AR) ডিপার্টমেন্ট থেকে আজ, মঙ্গলবার প্রকাশিত নোটিফিকেশনটি শুধুই ইংরেজিতে জারি করা হয়েছে।

তাতে কোনো বাংলা অনুবাদের সংস্থান রাখা হয়নি। ফলে সরকারের নিজস্ব নির্দেশিকা কার্যকরের সদিচ্ছা নিয়েই এবার বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুনঃ পুরভোটেও একাধিক নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা; ডিসেম্বরের আগেই ভোট!

নীতি ঘোষণা বনাম বাস্তব রূপায়ণ

রাজ্য সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ থেকেই দফতর সংক্রান্ত চিঠিপত্র, বিজ্ঞপ্তি এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে প্রকাশ করা নোটিফিকেশন বাংলায় হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু রাজ্য প্রশাসনের মূল চালিকাশক্তি P&AR ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রকাশিত প্রথম দিনের নোটিফিকেশনেই বাংলার অনুপস্থিতি আমলাতান্ত্রিক উদাসীনতাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিষয় সরকারি নির্দেশ ও প্রতিশ্রুতি ১ সেপ্টেম্বরের মাঠপর্যায়ের চিত্র
ভাষা প্রয়োগ সমস্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও নোটিফিকেশনে বাংলা বাধ্যতামূলক। P&AR বিভাগের বিজ্ঞপ্তি সম্পূর্ণ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত।
মূল দফতর নীতি রূপায়ণে P&AR বিভাগকে মডেল হিসেবে কাজ করার কথা। নীতি প্রণয়নকারী বিভাগ নিজেই প্রথম দিনে নিয়ম ভঙ্গ করেছে।
বাস্তবায়ন সময়সীমা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর। পরিকাঠামো ও মানসিকতার অভাবে কার্যকর হওয়া স্থগিত।

আরও পড়ুনঃ  কন্ডোমে ফুটো! গুণমান পরীক্ষায় ডাহা ফেল অন্তত ৩ লক্ষ; সতর্কতা জারি

কেন তৈরি হচ্ছে এই প্রশাসনিক অচলাবস্থা?

১. ড্রাফটিং ও পরিকাঠামোগত খামতি: সরকারি দপ্তরগুলিতে বাংলা টাইপিং, সঠিক পরিভাষা এবং অনুবাদ সংক্রান্ত সফটওয়্যার বা দক্ষ কর্মীর ঘাটতি এখনও মেটানো যায়নি।

২. আমলাতান্ত্রিক ঢিলেঢালা ভাব: দীর্ঘদিনের ইংরেজি ড্রাফটিংয়ের অভ্যাসে বদল না আসা এবং শীর্ষ পর্যায় থেকে সুনির্দিষ্ট রূপায়ণ নির্দেশিকা (Implementation Guidelines) না পৌঁছানো।

৩. তদারকির অভাব: নীতি ঘোষণার পর তা বাস্তবে প্রতিটি বিভাগ মেনে চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য কোনো কেন্দ্রীয় নজরদারি সেল কাজ করছে না।

জবাবদিহিতা কার?

সরকারি নির্দেশ সত্ত্বেও কেন নীতি ভাঙা হলো, তার উত্তর এখন রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের কোর্টেই। মুখ্যসচিব এবং P&AR ডিপার্টমেন্টের সচিবের স্পষ্ট জবাবদিহিতা ছাড়া এই ধরনের প্রশাসনিক নির্দেশ বাস্তবায়িত হওয়া অসম্ভব।

 

তথ্যাভিজ্ঞ মহল মনে করছে, শুধুমাত্র নীতি ঘোষণা করলেই হবে না, রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে কড়া পদক্ষেপ না নিলে বাংলা ভাষায় সরকারি কাজকর্ম সম্পাদনের সিদ্ধান্ত খাতায়-কলমেই থেকে যাবে

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন