শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার দিনেই জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে গেল। ভোটে ভরাডুবি হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের আর দেখা যাচ্ছে না রাস্তায়। এই আবহে এবার হঠাৎ দেখা গেল বাবুপাড়ার কাছে তৃণমূল জেলা কার্যালয়ের সাইনবোর্ড-পোস্টার খুলতে দেখা গেল কিছু তৃণমূল নেতাকে। তা নিয়েই রাজনৈতিক আঙিনায় শুরু হয়েছে চর্চা।
আরও পড়ুনঃ ‘সাবধানে থাকুন, সব বন্ধ করে দিন, ভদ্র হন’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
যদিও এই নিয়ে তৃণমূলের শ্রমিক নেতা পুণ্যব্রত মিত্রের দাবি, এই জায়গাটা ভাড়ায় নেওয়া ছিল। চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হবে। তবে এখন জেলা কার্যালয়ে কোথায় হবে তা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি তিনি। তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি।
বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য পলেন ঘোষ বলেন, তৃণমূল এখন আর সরকারে নেই। তাই তোলা তুলতে পারবে না। সেই কারণে পার্টি অফিসের ভাড়াও আর দিতে পারবে না। এখন পার্টি অফিসের সব খুলে নিয়ে চম্পট দিচ্ছে তৃণমূল নেতারা। জেলায় কোথাও তৃণমূলের একটিও নিজেস্ব কার্যালয় নেই, আর থাকবেও না। কারণ ওরা আর ক্ষমতাতেই ফিরতে পারবে না৷
আরও পড়ুনঃ মমতার জোট প্রস্তাবে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড লাগিয়ে দিল সিপিএম
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে তদানীন্তন জেলা সভাপতি কৃষ্ণ কুমার কল্যানীকে সরিয়ে মহুয়া গোপকে জেলা সভাপতি করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহুয়া জেলা সভাপতি হওয়ার পর কৃষ্ণ কুমার কল্যানীর অফিস থেকে আর দলের কাজ না চালিয়ে শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়ায় একটি বহুতলের মধ্যে জেলা কার্যালয় করেছিলেন। গত শুক্রবার পর্যন্তও সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু শনিবার বিকেলের পরেই ছবিটা বদলে যায়। দেখা যায় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের টাউন ব্লক সভাপতি পূর্ণব্রত মিত্র সহ কিছু নেতারা কার্যালয়ে সমস্ত কিছু বের করে একটি ট্রাকে করে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। তবে এই কার্যালয়ে জিনিসপত্র এখন কোথায় থাকবে বা কোথায় নতুন জেলা কার্যালয় হবে সেটা এখনো জানাতে পারেনি তৃণমূল নেতারা৷


