বিধানসভার স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, ডেপুটি চিফ হুইপ বা সহকারী মুখ্য সচেতক, এই চার ঘর আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হল। সেখানে ঢুকতে পারবেন না কেউই। বিধানসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হল প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মূলত এই নির্দেশ বহাল থাকছে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরে আবার পুনরায় কাজ কর্ম শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ সাঁড়াশি চাপে তৃণমূল, তৃণমূলের জন্য সামনে আরও কঠিন সময়!
ইতিমধ্যেই বিধানসভার মন্ত্রীদের ঘর থেকে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত ছবি খুলে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রীদের ঘরে বা অন্যত্র কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে সেখাবে মেরামতির কাজ চলছে। যেমন কোন সুইচ বোর্ডের সমস্যা থাকলে, কোথাও শীততাপ যন্ত্রের সমস্যা থাকলে মেরামত করার কাজ চলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে গোটা বিধানসভাজুড়েই।
একইভাবে বিধানসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে বারবার প্রয়োজনীয় পরিদর্শন করছেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করছেন। নতুন নতুন নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে কর্মীদের। সূত্রের খবর, ওখানেই তৈরি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। গোটা বিধানসভায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি বন্দোবস্ত। এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের করিডরের সামনে বসানো হয়েছে পুলিশ প্রহরা। খবর এমনটাই।
আরও পড়ুনঃ বরখাস্ত তৃণমূল সরকার, ক্ষমতা নিজের হাতে নিলেন রাজ্যপাল
প্রসঙ্গত, আর ঠিক দু’দিন পরেই নতুন সরকারের শপথগ্রহণ। এদিকে এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন মমতা। এরইমধ্যে দেশের সংবিধান মেনে আগের সরকার ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। করলেন ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা মারফত প্রাপ্ত ক্ষমতার প্রয়োগ। ইতিমধ্যে বিবৃতি জারি করে পুরনো বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা।


