গতকালের মধ্যমগ্রামের ঘটনা নিয়ে অনেক গুলো প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে যেগুলো এই মুহূর্তে কন্সপিরেন্সি থিওরি।
অযথা কেউ গদগদ হয়ে এগুলো কে সঠিক বলে ধরেও নেবেন না। মনে হলো তাই বলছি।
যদি এই খুন প্রাক্তন শাসক দলের কেউ করে থাকে, তাহলে কেন করবে?
আরও পড়ুনঃ গতকাল রাত ১১টার পরেই পানিহাটির দু’নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পরপর বোমাবাজি
যাতে রাষ্ট্রপতি শাসন হয়।
আপনারা অনেকেই শুনেছেন যে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন (যেটা নিয়ে আগের দিনই বললাম)। তিনি যদি ইস্তফা না দেন তাহলে রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ করবে কিন্তু আইন বলছে রাজ্যপাল অনুরোধ করতে পারে। সেটা না হলে রাষ্ট্রপতি শাসন করে ফের নতুন সরকার গঠন।
আবার এমন চলতে থাকলে কম্যুনাল ভায়োলেন্স দিয়ে ফের হয়তো নির্বাচন হবে বা অনেকদিন সরকার গঠন হবে না।
এর মাঝে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এই নির্বাচনের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে মানে সময়টা পেয়ে যাবে তারা।
আরও পড়ুনঃ গাড়িটি আসলে কার? ভয়ঙ্কর তথ্য CID-এর হাতে
যদি এটা সরাসরি গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব হয়ে থাকে বা ইনসাইডার এর কাজ। তাহলে কেন?
একদল চাইছে শমিক ভট্টাচার্যের গান্ধী পলিশি তে চলুক। যেখানে প্রত্যেক বিরোধীদের সমান মর্যাদা দেওয়া হবে। কোনও রকম বদলা নয়।
সেটা করতে গেলে তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী হতে হবে।
আবার একদল চাইছে বদলার রাজনীতি যেখানে বিরোধী বলে কিছু থাকবে না। এরা সবাই শুভেন্দু কে সমর্থন করছে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে।
যদি এটা প্রাক্তন বা বর্তমানের কেউ না থেকে তাহলে বাইরের কোনও কেউ করালো দোষ পড়ে প্রাক্তনের উপর এবং এই নিয়ে সেই ঘুরে ফিরে আসে কম্যুনাল ভায়োলেন্স।
অর্থাৎ অনেক গুলো প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে এই ঘটনায়, কারণ এটা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়।
তবে যাই হোক, নিজের হাতে আইন তুলবেন না কেউ বারবার বলা হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে। এখন প্রচুর ফেক নিউজ ঘুরছে। তাই আগাম সেটাও জানিয়ে রাখছি।
সঠিক তদন্ত হোক এবং এর জাল ঠিক কতদূর বা কে করিয়েছে, সেটাও তাড়াতাড়ি সবার সামনে আসুক।
মাঝখান দিয়ে একজন নিরীহ ছেলের প্রাণ চলে গেল। ও তো চাকরি করত। কোনও নেতাও নয়, মন্ত্রীও নয়। অনেক অল্প বয়স।
কী জানি রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে অসহায় মানুষদের উপরেই কেন অত্যাচার হয়।
যাই হয়ে থাক, ঠিক হলো না।


