Wednesday, 2 September, 2026
2 September
Homeউত্তরবঙ্গMalda: গঙ্গা ও ফুলহরের গ্রাসে স্কুল ভবন; মালদার ৯টি প্রাথমিক স্কুলে পঠনপাঠন...

Malda: গঙ্গা ও ফুলহরের গ্রাসে স্কুল ভবন; মালদার ৯টি প্রাথমিক স্কুলে পঠনপাঠন স্থগিত

নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে গোটা স্কুল ভবন, আবার কোথাও বন্যার জল ঘিরে ফেলায় স্কুলে পৌঁছতেই পারছে না খুদে পড়ুয়ারা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

গঙ্গা ও ফুলহর নদীর জলস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া এবং তীব্র নদীভাঙনের কবলে পড়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে মালদার শিক্ষা পরিকাঠামো। কোথাও নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে গোটা স্কুল ভবন, আবার কোথাও বন্যার জল ঘিরে ফেলায় স্কুলে পৌঁছতেই পারছে না খুদে পড়ুয়ারা। বিষম এই পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে রতুয়া-১ এবং মানিকচক ব্লকের মোট ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঠনপাঠন আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা শিক্ষা দপ্তর।

আরও পড়ুনঃ মালদার ঐতিহ্যবাহী রসকদম্বা এখন শিলিগুড়িতেও! বিশেষ আউটলেটে মিলছে উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত মিষ্টি

ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত বিদ্যালয়গুলির তালিকা

জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) মলয় মণ্ডলের নির্দেশানুসারে দুটি ব্লকের যে ৯টি স্কুলে পঠনপাঠন স্থগিত রাখা হয়েছে:

ব্লকের নাম ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় বর্তমান পরিস্থিতি
রতুয়া-১ ব্লক (৪টি স্কুল)

১. পশ্চিম রতনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়


২. জিতুটোলা প্রাইমারি স্কুল


৩. মণিরামটোলা প্রাথমিক স্কুল


৪. জিয়ারামটোলা প্রাথমিক স্কুল

পশ্চিম রতনপুর স্কুলের একাংশ সম্প্রতি নদীতে তলিয়ে গিয়েছে। জিতুটোলা স্কুলের দেওয়াল ছাড়া বাকি অংশ গতবছর থেকে ধসে নদীগর্ভে বিলীন। মণিরামটোলা স্কুলের ২০-৩০ মিটারের মধ্যে নদী বইছে এবং জিয়ারামটোলা জলবন্দি।
মানিকচক ব্লক (৫টি স্কুল)

১. ভাট্টা কার্তিকটোলা


২. আমিনটোলা


৩. পিয়ারিটোলা


৪. সুকদেবটোলা


৫. নিউ লুতিহার প্রাথমিক বিদ্যালয়

নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে স্কুলের চারপাশ প্লাবিত করায় পড়ুয়াদের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাস্তুচ্যুত হতে পারেন ১.৪ কোটি মানুষ; নেপালের পর কলকাতা ও মুম্বই!

প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও বিকল্প ব্যবস্থা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পঠনপাঠন বজায় রাখতে জেলা শিক্ষা দপ্তর একাধিক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে:

  • ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট: ৯টি স্কুলের বর্তমান পরিস্থিতি জানিয়ে নবান্ন ও শিক্ষা দপ্তরের শীর্ষস্তরে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।

  • বিকল্প ভবনের খোঁজ: সংশ্লিষ্ট সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকদের (SI) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কাছাকাছি অন্য কোনো নিরাপদ ভবনে সাময়িকভাবে ক্লাস চালানো যায়। তবে পূর্বে রতুয়ার যে বিকল্প স্কুলগুলিতে ক্লাস স্থানান্তরিত হয়েছিল, সেগুলিও বর্তমানে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

  • সেচ ও ভূমি দপ্তরের সাহায্য: অবশিষ্ট স্কুল ভবনগুলিকে রক্ষা করতে সেচ দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, যে ভবনগুলি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গিয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে ভূমি দপ্তরের সহায়তায় খাস সরকারি জমি চিহ্নিত করে নতুন স্কুল ভবন তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হবে।

পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হওয়ায় কত দ্রুত বিকল্প পরিকাঠামো গড়ে তুলে পঠনপাঠন স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়, সেদিকেই তাকিয়ে ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত অভিভাবকমহল।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন