Friday, 17 April, 2026
17 April
HomeদেশOdisha: গোয়েন্দা সতর্কবার্তা! ওড়িশায় বেআইনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

Odisha: গোয়েন্দা সতর্কবার্তা! ওড়িশায় বেআইনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

বিভিন্ন স্থানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক কুঁড়েঘর ও অস্থায়ী নির্মাণ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ওড়িশায় বেআইনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করল রাজ্য সরকার। জগৎসিংহপুর, কেন্দ্রপাড়া, ভদ্রক ও জাজপুরসহ উপকূলীয় ও অন্তর্দেশীয় একাধিক জেলায় পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে নজরদারি, পরিচয় যাচাই ও উচ্ছেদ কার্যক্রম জোরদার করেছে। সাম্প্রতিক গ্রেফতার ও গোয়েন্দা সতর্কবার্তার পর এই অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সীমান্তে বাড়ছে উত্তেজনা! ত্রিশক্তি কোরকে অ্যালার্ট; শিলিগুড়িতে ‘হাই প্রোফাইল’ বৈঠক, বাগডোগরার বিমানঘাঁটিকেও তৈরি থাকার নির্দেশ

জগৎসিংহপুর জেলায় শুক্রবার সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের অবৈধ বসতি উচ্ছেদে প্রশাসন জোরালো অভিযান চালায়। বিভিন্ন স্থানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক কুঁড়েঘর ও অস্থায়ী নির্মাণ। বেহেরামপুরের কাছে বেশ কিছু পরিবার সম্ভাব্য পুলিশি তৎপরতার ভয়ে নিজেরাই ঘরবাড়ি ভেঙে এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তারা বহু বছর ধরে সরকারি জমি দখল করে বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ। তবে তারা কোথায় গিয়েছেন তা নিশ্চিত নয়। জেলাপ্রশাসন জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন পর্যায়ক্রমে ডোর-টু-ডোর যাচাই অভিযান চলবে।

জগৎসিংহপুরে বাংলাদেশিদের সংগঠিতভাবে বসতি স্থাপন করানোর মূল সন্দেহভাজন সিকন্দরকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। তার বাড়িতে দুই ঘণ্টার তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে পুরনো ভোটার কার্ডসহ কয়েকটি নথি। পুলিশের ধারণা, সিকন্দরই বহু বাংলাদেশিকে আশ্রয় দিতে ও বিভিন্ন অঞ্চলে থাকার ব্যবস্থা করে দিতেন। তার অর্থ লেনদেন খতিয়ে দেখতে কলেজ চকের কাছে একটি স্থানীয় ব্যাংকে যোগাযোগ করা হলেও তদন্তে উঠে এসেছে যে কলকাতা, চেন্নাই ও মুম্বইয়ের একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও তিনি লেনদেন করতেন। সিকন্দর সমুদ্রপথে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করতে পারেন, বলে আশঙ্কা পুলিশের। জগৎসিংহপুরের এসপি অঙ্কিত কুমার ভার্মা জানিয়েছেন, লুক-আউট নোটিশ জারি করার প্রক্রিয়া চলছে। রঘুনাথপুর এলাকায় কুয়ামঙ্গায় সিকন্দরের নতুন বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে, তবে সেটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ SIR আবহে মুর্শিদাবাদে নেমেছে পদবি পরিবর্তনের ঢল

পুলিশ সূত্রে খবর, সিকন্দর ও তার ভাই আব্দুলের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তারা ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে আনার মানবপাচার চক্র পরিচালনা করছিল। আনীত ব্যক্তিদের কম মজুরিতে কাজ করানো-সহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া একটি অবৈধ মাদ্রাসা পরিচালনা ও বিদেশি অর্থায়নের সন্দেহে একটি পৃথক তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিকন্দরের বাংলাদেশ, কাতারসহ কয়েকটি দেশের লোকজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

ব্রাহ্মবরদা থানার রসুলপুর ব্লকসহ জাজপুরের কয়েকটি এলাকায় পরিচয় যাচাই শুরু হয়েছে। রাজ্যের বাইরে বা অন্য জেলা থেকে আসা মেসন, হকার, খাবার বিক্রেতা ও শ্রমিকদের নথি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে পুরো এলাকাজুড়ে ভাড়াবাসা, কর্মস্থল ও বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চলবে। ভদ্রকের বসুদেবপুর ব্লকের কাসিয়া মেরিন পুলিশ স্টেশন এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে কড়া নজরদারি চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, বেআইনি বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত ও আটক করতে এই অভিযান রাজ্যজুড়ে চলবে। অন্যান্য উপকূলীয় জেলাতেও একই ধরনের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি জগৎসিংহপুরে এক সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতারের পরই নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন