Sunday, 26 April, 2026
26 April
HomeকলকাতাPresident's Rule: বাংলায় জারি হবে রাষ্ট্রপতি শাসন?

President’s Rule: বাংলায় জারি হবে রাষ্ট্রপতি শাসন?

বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টে দাবি করে ইডি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আইপ্যাক মামলার শুনানিতে সম্প্রতি সুপ্রিম ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার । আগেই আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে অভিযান সংক্রান্ত ঘটনার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক প্রচারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। অন্যদিকে বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টে দাবি করে ইডি।

আদালতে কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তথা ইডির আইনজীবী তুষার মেহতা জানান, রাজ্যে আইনের শাসন কীভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিরাট মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত সতর্ক করে বলে, ‘সাংবিধানিক ব্যর্থতা’ বা ‘শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার’ দাবি দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে, যার অর্থ রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়া।

আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থার অফিসে ইডি তল্লাশি চলাকালীন বিপুল পুলিশ বাহিনী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মাঝেই হাতে সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দায়ের হয় মামলা।

আরও পড়ুনঃ বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘টিম মোদী’-র মাস্টারস্ট্রোক

আদালতে ইডির অভিযোগ ছিল, তল্লাশির সময় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরিয়ে ফেলার কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আই-প্যাক অফিসে ইডি অভিযানের মধ্যে গিয়ে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করা হয়, প্রমাণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগ তোলা হয়।

সেই মামলার শুনানিতে, ইডির তল্লাশি চলাকালীন কোনো মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে ঢুকে পড়া একেবারেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এভাবে গণতন্ত্রকে বিপন্ন করা যায় না। শুনানিতে বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়া বলেন, ‘আপনারা আইনের শাসন লঙ্ঘন নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যুক্তি দিচ্ছেন। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। আমরা আশা করি, আপনারা সাংবিধানিক কাঠামোর পতনের দিকে ইঙ্গিত করছেন না, কারণ এটি অত্যন্ত বড় উদ্বেগের বিষয়।’

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মণ্ডলের মুখ থেকে অপ্রত্যাশিত স্বীকারোক্তি

পাল্টা জবাবে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল বলেন, ‘এটা আরও বড় উদ্বেগের বিষয়।’ এরপর বিচারপতি বলেন, ‘আমরা আশা করছি আপনি সেদিকে ইঙ্গিত করছেন না।’ পাল্টা সরকারি আইনজীবী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সংস্থা কখনোই এই যুক্তি দিতে পারে না। আমি এর উত্তর সেভাবেই দেব। এবং আমি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই আছি। কারণ এই অবস্থান বহু বছর ধরেই রয়েছে।’ সুপ্রিম কোর্টের কথায়, ‘কোনও পরামর্শ নয়। এই বিতর্কের প্রেক্ষাপটেই আমরা এই প্রশ্ন রাখছি।’

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন