বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:
২০২৬ সালের বর্ষা-পরবর্তী মৌসুমে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেতে পারে। ইসরো-র (ISRO) স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (SAC)-এর সাম্প্রতিক মৌসুমি পূর্বাভাসে এই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য ও বিশ্লেষণে জানানো হয়েছে, এই সময়ে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩টি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় (Tropical Cyclone) সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট করেছেন যে, এটি কোনো নির্দিষ্ট সতর্কবার্তা বা কোনো নির্দিষ্ট উপকূলে আঘাত হানার (Landfall) পূর্বাভাস নয়।
আরও পড়ুনঃ ঐতিহ্য ‘রান্নাপুজো’; উনানের বিশ্রাম ও নারীশ্রমের স্বীকৃতি
পূর্বাভাসের মূল দিকসমূহ
পূর্বাভাস ও পরবর্তী পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রধান বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় ও ক্ষেত্র | বর্তমান পূর্বাভাস ও প্রশাসনিক বার্তা |
| সম্ভাব্য সময়কাল | অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ (বর্ষা-পরবর্তী মৌসুম)। |
| ঝড়ের সংখ্যা | বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩টি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। |
| অনিশ্চয়তা | প্রকৃত সংখ্যা, গতিপথ ও তীব্রতা নির্ভর করবে তৎকালীন সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির ওপর। |
আরও পড়ুনঃ প্রতীক পেলে তবেই উপনির্বাচনের প্রচারে যাব, নাহলে নয়; সরাসরি জানালেন মমতা
সতর্কতা ও প্রস্তুতি
ঐতিহাসিকভাবেই বর্ষার বিদায়ের পর বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে সাইক্লোন সৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকে। তাই এই পূর্বাভাসকে আগাম সতর্কতার বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে:
-
আগ্রিম প্রস্তুতি: উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দা, মৎস্যজীবী সম্প্রদায়, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থাগুলোকে (NDRF/SDRF) সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
-
গতিপথ ও ল্যান্ডফল: সব ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে আঘাত হানে না; অনেক সময় সমুদ্রেই শক্তি হারিয়ে ফেলে বা দিক পরিবর্তন করে অন্যত্র চলে যায়।
প্রশাসন এবং আবহাওয়া দপ্তরের তরফে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট আবহাওয়া বার্তার ওপর চোখ রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


