তারাপীঠের জীবিত কুণ্ডে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। জল বের করার পর প্রকাশ্যে চলে এসেছে ল কাঠামোটি। কিন্তু জীবিত কুণ্ডের মূল কাঠামো নাকি জল আর বের করে যাচ্ছে না! যতবার জল তুলে বাইরে ফেলা হচ্ছে, ততবারই ভরে উঠেছে কুণ্ডটি।
তারাপীঠে ‘অলৌকিক কাণ্ড’। জল তুলতে ফেললেই ফের ভরে উঠছে জীবিত কুন্ড! বিস্মিত স্থানীয় বাসিন্দারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়ো।

কথিত আছে, তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। বীরভূমের রামপুরহাটের কাছে এই দেবীর তারার এই মন্দির সিদ্ধপীঠ নামে পরিচিত
এখানে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন স্বয়ং বামাক্ষ্য়াপা। তারাপীঠের মন্দিরে নানা পৌরাণিক কাহিনী শোনা যায়।
তারাপীঠে মন্দিরে পাশেই ‘জীবিত কুণ্ডু’। কথিত আছে, তারাপীঠে তখন গভীর জঙ্গলে ঢাকা। দ্বারকা নদী উপর দিয়ে বজরা করে বাণিজ্য করতে যাওয়ার পথে সেখানে নোঙর করেছিলেন বণিক জয় দত্ত।

হঠাত্ সাপের কামড়ের মৃত্যু হয় জয় দত্তের ছেলের। ঘটনাচক্রে ঠিক সেই সময়ই কাটা শোলমাছ এই জীবিত কুণ্ডের ঘাটে পরিষ্কারের করছিলেন বণিকের কর্মচারী। জলে ডোবানোর পরই সেই মাছ নাকি জীবিত হয়ে চলে যায় পুকুরের গভীরে!

এই ঘটনার পর নিজের মৃত ছেলেকে ওই পুকুরে স্নান করান জয় দত্ত। সে-ই বেঁচে ওঠে। সেই থেকে পুকুরটির নাম জীবিত কুণ্ডু।
আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণা পঞ্চমীতে ইন্দ্র যোগের সঙ্গে বৈধৃতি যোগের কামাল, ভাগ্যে চমক এই চার রাশির









