সোমবার ‘সেবাশ্রয় ২’ কর্মসূচির ২৭তম দিনে বিষ্ণুপুর মডেল ক্যাম্পে উপস্থিত হলেন এই মহৎ উদ্যোগের রূপকার, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ সর্বস্বান্ত হলেন ব্যবসায়ীরা! ভস্মীভূত ২০০-এর অধিক দোকান; পুড়ে ছাই যদুবাবুর বাজার
এদিন তিনি বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের হুইলচেয়ার প্রদান করেন। তাঁদের চলাচলের পথ সুগম করা এবং আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচার সুযোগ করে দেওয়াই ছিল এই সহায়তার মূল উদ্দেশ্য। তাঁর এই মানবিক পদক্ষেপ সেবা ও যত্নের প্রতি ‘সেবাশ্রয় ২’ কর্মসূচির অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় ও অর্থবহ করে তুলল।
পরিদর্শনের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মাদার টেরেসা, মহাত্মা গান্ধী, স্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রতি পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বাংলার বরেণ্য মণীষীদের এবং তাঁদের শাশ্বত মূল্যবোধের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
আরও পড়ুনঃ দিনহাটার ২নং ব্লকের সাহেবগঞ্জ এলাকায় BLA-কে ঢুকতে বাধা; AERO-র সঙ্গে বচসায় জড়ালেন উদয়ন গুহ
এছাড়াও তিনি বিষ্ণুপুর মডেল ক্যাম্পে উপস্থিত রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা ও অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাঁর এই সফর একটি সহজ অথচ শাশ্বত বার্তা পৌঁছে দিল – শাসনব্যবস্থা তখনই সার্থক ও অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা সেবা, সহানুভূতি এবং বাংলার সামাজিক চেতনার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
যেখানে মানুষের প্রতি যত্ন নেওয়া কেবল মুখের কথায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা বাস্তব কর্মে রূপান্তরিত হয়। অর্থাৎ যা মূর্ত হয়ে ওঠে এমন কিছু মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে, যা সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের জীবনে গতিশীলতা, আত্মমর্যাদা এবং নতুন আশার সঞ্চার করে।









