কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
ভেনেজুয়েলা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র—এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে জোরপূর্বক অপহরণ করা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের মর্যাদা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতিসংঘের সনদের চরম লঙ্ঘন।
আরও পড়ুনঃ সরকার বদলের খেলায় নামলে পরিণতি সহজ হবে না, দ্বিতীয় বিবৃতি চিনের
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে—শক্তির জোরে কি কোনও দেশ অন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানকে যখন খুশি ধরে নিয়ে যেতে পারে? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এমন নজির বৈশ্বিক কূটনীতির জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বার্তা বহন করে।
সমালোচকরা আরও দাবি করছেন, নিষিদ্ধ মাদক পাচারের অভিযোগকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে শুধু ভেনেজুয়েলার সরকার উৎখাতই নয়, বরং বিরোধী নেত্রী কোরিনা মাচাদোরকে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা হয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, এর পেছনে রয়েছে ভেনেজুয়েলার বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি লোভ—বিশেষ করে খনিজ তেল। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভেনেজুয়েলার তেলের মজুত বিশ্বে সর্বাধিক বলে ধরা হয়, যার পরিমাণ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই ধরনের ঘটনা বিনা বাধায় ঘটে, তবে তা ভবিষ্যতে অন্য স্বাধীন দেশগুলির জন্যও উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে।









