spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
HomeদেশArdh Kumbh 2027: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ঘিরে চাঞ্চল্য! ২০২৭ অর্ধকুম্ভে...

Ardh Kumbh 2027: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ঘিরে চাঞ্চল্য! ২০২৭ অর্ধকুম্ভে অহিন্দুদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

বিরোধী দলগুলো এটিকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা বলে অভিহিত করছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

উত্তরাখন্ড ডবল ইঞ্জিন সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ঘিরে চাঞ্চল্য। উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার ২০২৭ সালের অর্ধ কুম্ভ মেলায় গঙ্গার ঘাটগুলোতে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো মেলার ধর্মীয় পবিত্রতা এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখা। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া একচেটিয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “হরিদ্বার একটি পবিত্র নগরী এবং সরকার তার পবিত্রতা রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুনঃ “জয় শ্রী রাম” ও “জয় মা দুর্গা” ধ্বনিতে মুখর শহর শিলিগুড়ি! বিজেপিতে যোগ ৩৫০ জন জেন-জি-এর

আমরা সব সম্ভাব্য বিকল্প পর্যালোচনা করছি যাতে এই দেবভূমির আধ্যাত্মিক চরিত্র অটুট থাকে।”২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত হরিদ্বারে অনুষ্ঠিত হবে অর্ধ কুম্ভ মেলা, যা প্রতি ছয় বছরে একবার হয় এবং লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীকে আকর্ষণ করে। এবারের মেলাকে পূর্ণ কুম্ভের মতোই দিব্য ও মহান করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ইতিমধ্যে ১০৫টি গঙ্গা ঘাট প্রস্তুত করার কাজ চলছে, যা হরিদ্বার থেকে হৃষিকেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

কিন্তু এর মধ্যেই উঠে এসেছে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিয়ে প্রস্তাব। বর্তমানে হর কি পৌড়ি সহ কয়েকটি প্রধান ঘাটে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধের বিধি রয়েছে। এখন সরকার হরিদ্বার ও রিষিকেশকে ‘সনাতন পবিত্র নগরী’ ঘোষণা করে এই নিষেধাজ্ঞা সব ঘাটে এবং কুম্ভ এলাকায় সম্প্রসারিত করার কথা ভাবছে।এই প্রস্তাবের পিছনে রয়েছে সাধু-সন্ত এবং অখড়াগুলোর চাপ।

শ্রী গঙ্গা সভা এবং বিভিন্ন অখড়ার নেতারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে, কুম্ভের মতো বিশাল ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অ-হিন্দুদের প্রবেশে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এবং পবিত্রতা নষ্ট হয়। তারা অ-হিন্দুদের রাত্রিবাস নিষিদ্ধ করা এবং ধর্মীয় স্থানে কড়া নিরাপত্তার দাবিও তুলেছেন। নিরঞ্জনী অখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী কৈলাশানন্দ গিরি এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “ধামি সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গঙ্গা নগরীর পবিত্রতা রক্ষা করবে।”

আরও পড়ুনঃ সঙ্গী কলকাতার পথকুুকুর! শান্তির বার্তা দিতে আমেরিকার পথে হাঁটছেন ১৯ বৌদ্ধ ভিক্ষু

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই প্রস্তাব নিয়ে সাধু-সন্তদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী ধামি বলেছেন, পুরনো আইন এবং বিধিগুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কুম্ভ প্রস্তুতির জন্য ইতিমধ্যে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চলছে রাস্তা প্রশস্তকরণ, সেতু নির্মাণ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এবার শাহী স্নানও অর্ধ কুম্ভে প্রথমবার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে, যা মেলাকে আরও মহিমান্বিত করবে।’

কিন্তু এই প্রস্তাব রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধী দলগুলো এটিকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা বলে অভিহিত করছে। কংগ্রেস নেতারা বলছেন, এটি সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার পরিপন্থী। মুসলিম সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে যে, এতে সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত হবে। অনেকে মনে করছেন, এটি উত্তরাখণ্ডের ‘দেবভূমি’ ইমেজকে প্রভাবিত করতে পারে, যেখানে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে আসেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন