কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
আর মাত্র কয়েকমাস পর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে মহাকাল মন্দির শিলান্যাসে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দিরের শিলান্যাস নিয়ে চলছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। মমতা সাম্প্রদায়িকতাকে হাতিয়ার করে ভোটবাক্স আরও শক্তিশালী করতে চাইছে বলেই অভিযোগ বিজেপির।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস জানা সোজা নয়! বীরভূমের ব্রহ্মদৈত্যের মেলা
বিকেল ৪.৩৫: ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মহাকাল মন্দিরে শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিকেল ৪.৩৪: অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মনকে সংবর্ধনা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিকেল ৪.৩৩: মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাসের সময় মহিলাদের শঙ্খধ্বনি দেওয়ার আর্জি মমতার।
বিকেল ৪.৩২: মমতা বলেন, “কেউ যেন ভাববেন না আমি পঞ্জিকা টঞ্জিকা দেখি না। ৪টে ১৫ মিনিটের পর সময় ছিল। আমি সেই অনুযায়ী এসেছি। ইন্দ্রনীলকে ধন্যবাদ ও সুন্দর করে অনুষ্ঠান এগিয়ে নিয়ে গিয়েছি।”
বিকেল ৪.৩১: “দয়া করে অত্যাচার করবেন না। বিজেপি রাজ্যগুলো কেন করছে অত্যাচার? কই আমরা তো করি না। আমরা যতদিন বাঁচবে, কাজ করে বাঁচব। ভালো কাজ করে বাঁচব।”
বিকেল ৪.২৯: উত্তরবঙ্গকে আরও ৬টি ভলভো বাস উপহার মুখ্যমন্ত্রীর। যেগুলি কলকাতার সঙ্গে উত্তরবঙ্গকে জুড়বে।
বিকেল ৪.২৫: মমতা বলেন, “এক আঙুলে কি মুঠো তৈরি করতে পারবেন, পারবেন না। কিন্তু পাঁচটি আঙুল এক হলে পারবেন। তেমন একটি ধর্ম নিয়ে চললে হবে না। আমরা সর্বধর্মে বিশ্বাসী।”
বিকেল ৪.২৩: খ্রিস্টানদের উৎসবেও কলকাতাকে দারুণভাবে সাজানো হয়।
আরও পড়ুনঃ জীবনের এক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা; আজ পবিত্র শবে মেরাজ
বিকেল ৪.২০: কালীঘাট মন্দিরেও স্কাইওয়াক করে দিয়েছি। দক্ষিণেশ্বরেও করে দিয়েছি। মন্দির ঢেলে সাজিয়ে দিয়েছে। ভগিনী নিবেদিতা দার্জিলিংয়ে যেখানে মারা গিয়েছেন ওই বাড়িটি আমরা রামকৃষ্ণ মিশনকে দিয়েছি। কলকাতায় যে বাড়িতে ভগিনী নিবেদিতা থাকতেন, ওই বাড়িটিও মিশনের হাতে তুলে দিয়েছি। ঝাড়গ্রামের কনকদুর্গা মন্দির, তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, মাহেশের মন্দিরের সংস্কার করেছি। তেমনই আবার ফুরফুরা শরিফের উন্নয়নে অনেক কাজ করেছি।
বিকেল ৪.১৮: “বাংলাকে এক নম্বরে করব বলেছি, করেই ছাড়ব”, মন্তব্য মমতার।
বিকেল ৪.১৭: ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ থাকবে মন্দিরে। দু’টি প্রবেশপথ থাকবে। চার কোণে চার দেবতা।
বিকেল ৪.১৫: সাংস্কৃতিক হল, কনভেনশন সেন্টার, বারোটি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির থাকবে।
বিকেল ৪.১২: মমতা বলেন, “বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির হবে এটি। ১৭.৪১ একর জমির উপরে করছি। মহাতীর্থে এক লক্ষ দর্শনার্থী আসতে পারবেন। মূল মন্দির ছাড়াও মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি তৈরি করছি। মূর্তিটির মোট উচ্চতা ২১৬ ফুট। ব্রোঞ্জের মূল মূর্তিটি ১০৮ ফুটের। সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।”
বিকেল ৪.১১: মন্দির তৈরিতে ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছি: মুখ্যমন্ত্রী।
বিকেল ৪.১০: অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
দুপুর ৩.২৬: মাটিগাড়ায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।









