হল না শেষ রক্ষা। ভারতের ভিসা নিয়ে প্রবেশ করা আহমেদ রেজা হাসান মাহদি (Hasan Mahdi)এখন দিল্লি পুলিশের হাতে আটক। গতকাল সূত্রের খবরে জানা গিয়েছিল বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় হিন্দু পুলিশ অফিসার এসআই সন্তোষ দাস হত্যার অভিযুক্ত আহমেদ রেজা হাসান মাহদি (ওরফে মাহদি হাসান) ভারতে প্রবেশ করেছে । সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা গিয়েছিল সে নয়াদিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকার ‘ধাকিয়া’ রেস্তোরাঁয় ছিল।
গতকাল এই খবর সংবাদ মাধ্যম থেকে সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ছড়িয়েছিল চাঞ্চল্য। আজ বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারী সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে পুলিশ পুড়িয়ে মারা বিপ্লবী মেহেদিকে দিল্লি পুলিশ আটক করে বাংলাদেশের বিমানে তুলে দিয়েছে। খবর ছিল মাহদি পাকিস্তানি একটা জঙ্গি সংগঠনের হয়ে ভারতে কোনো টেরর প্লট চালানোর পরিকল্পনা করছে। পর্তুগিজ ভিসা পেলেই সে অপরাধ চালিয়ে চুপিচুপি পর্তুগালে পালিয়ে যাবে।
মাহদি হাসান ‘স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন’ (এসএডি)-এর হবিগঞ্জ জেলা ইউনিটের নেতা। ২০২৪-এর আন্দোলনের সময় হবিগঞ্জে পুলিশ অফিসার সন্তোষ দাসকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় তার নাম জড়িয়েছিল। জানুয়ারি ২০২৬-এ একটা ভাইরাল ভিডিওতে সে ক্যামেরার সামনে গর্ব করে বলে, “আমরা সেই হিন্দু পুলিশ অফিসারকে পুড়িয়ে মেরেছি।”
আরও পড়ুনঃ ‘‘আজই ইডির তরফে ‘রিজয়েন্ডার’ ফাইল করা হবে’’; সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছল IPAC মামলার শুনানি
এরপর বাংলাদেশ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু হত্যার অভিযোগে চার্জশিট না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। গতকাল থেকে তার ভারতে আসা নিয়ে বিস্তর উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো পোস্টে দাবি করা হয়েছিল মাহদি ফেক ভিসা বা অন্য কোনো উপায়ে ভারতে ঢুকেছে। তার পাসপোর্ট ও জন্ম সার্টিফিকেটের ছবি শেয়ার করা হয়েছে।
কাউন্টারটেররিজম বিশেষজ্ঞ সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী একটা পোস্টে লিখেছেন, “এই সেলফ-কনফেসড খুনি ভারতে আছে। পাকিস্তানি টেরর গ্রুপের হয়ে প্লট চালাতে এসেছে। পর্তুগাল ভিসা পেলেই অপরাধ করে পালাবে। এনআইএ, দিল্লি পুলিশকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” তার পোস্টে হাজারো লাইক, রিপোস্ট এবং শেয়ার হয়েছে। অন্যান্য অ্যাকাউন্ট থেকেও একই দাবি উঠেছে মাহদি পাহাড়গঞ্জে লুকিয়ে আছে, পর্তুগিজ দূতাবাসে ভিসার জন্য চেষ্টা করছে।এই খবরে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।









