নয়াদিল্লি:
ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে মাঝ-আকাশে সৃষ্টি হলো চরম আতঙ্ক। হঠাৎই তীব্র ঝাঁকুনি বা ‘এয়ার-টার্বুল্যান্স’-এর (Air Turbulence) মুখে পড়ে বিমানটি প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে আসে। আচমকা এই ঝাঁকুনির জেরে বিমানে থাকা যাত্রী ও কেবিন ক্রু সদস্য মিলিয়ে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ বিপাকে ‘ডাবর’! মধু থেকে ঘি-ডাবরের ৭ পণ্য নিষিদ্ধ করল FSSAI
ঠিক কী ঘটেছিল মাঝ-আকাশে?
মঙ্গলবার ফুকেট থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার AI2379 উড়ানটি দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। ওড়ার সময় আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রাপথে হঠাৎ করেই তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়।
-
কোনো আগাম সতর্কতা ছিল না: সাধারণত এয়ার-টার্বুল্যান্সের পূর্বাভাস পেলে পাইলট যাত্রীদের সতর্ক করে সিটবেল্ট বাঁধার নির্দেশ দেন। কিন্তু এক্ষেত্রে আচমকা দুর্যোগ নেমে আসায় আগাম কোনো ঘোষণা বা সিটবেল্ট বাঁধার সতর্কতা দেওয়ার সময় পাওয়া যায়নি।
-
৩০০ ফুট পতন: পাইলট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই বিমানটি দ্রুত ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়, যার ফলে ঝাঁকুনির তীব্রতায় ভেতরে থাকা যাত্রী ও বিমানকর্মীরা ছি ছিটকে পড়েন।
আরও পড়ুনঃ ‘রেস্ট অ্যান্ড রিকভারি’; আধুনিক ফিটনেস বিজ্ঞানের নতুন দিশা
দিল্লিতে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা
নির্ধারিত সময় বেলা সওয়া ১১টার কিছু পরে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।
-
জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা: অবতরণের আগেই দিল্লি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। ফলে রানওয়েতেই উপস্থিত ছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মেডিক্যাল টিম।
-
আহতের সংখ্যা: প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ১ জন কেবিন ক্রু সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন যাত্রী সামান্য আঘাত পেয়েছেন। অবতরণের পরপরই তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
তদন্তের আশ্বাস এয়ার ইন্ডিয়ার
ঘটনার কথা নিশ্চিত করে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের নিরাপত্তাই তাঁদের কাছে অগ্রাধিকার। এই এয়ার-টার্বুল্যান্সের পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সবরকম তথ্য দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে।


