spot_img
Saturday, 21 February, 2026
21 February
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজDonald Trump: জোর ধাক্কা ট্রাম্পের! USA-কে বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলো না লন্ডন

Donald Trump: জোর ধাক্কা ট্রাম্পের! USA-কে বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলো না লন্ডন

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির মাঝেই বড়সড় ধাক্কা খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির মাঝেই বড়সড় ধাক্কা খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লন্ডনের কাছে সুইন্ডনের পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ ‘রয়্যাল এয়ার ফোর্স’ (RAF) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি ব্যবহারের আবেদন জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। তবে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের আশঙ্কায় সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার। শুক্রবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এমনটাই খবর প্রকাশ পেয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শুরু হচ্ছে রোদের রাজত্ব, ফেব্রুয়ারির শেষেই উত্তরবঙ্গে গরমের প্রকোপ

সূত্রের খবর, হোয়াইট হাউস ইরান সীমান্তে দীর্ঘপাল্লার বোমারু বিমান মোতায়েন এবং হামলার জন্য ব্রিটেনের এই ঘাঁটিটি ব্যবহার করতে চেয়েছিল। তবে ব্রিটিশ সরকারের আইনি পরামর্শদাতারা সতর্ক করেছেন যে, যথাযথ আইনি ভিত্তি ছাড়া এমন কোনো অভিযানে সহায়তা করা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। যারফলে কিয়ার স্টারমার সরকারের তরফে অনুমতি দেওয়া হলো না আমেরিকাকে লন্ডনের বিমানঘাঁটি ব্যবহারের।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে এক চাঞ্চল্যকর কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। সুইন্ডনের নিকটবর্তী আরএএফ ফেয়ারফোর্ড (RAF Fairford) ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘপাল্লার মার্কিন বোমাবর্ষণ অভিযানের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্ট্যরমারের প্রশাসন। লন্ডনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের ওপর এই ধরণের কোনো ‘প্রি-এমপ্টিভ’ বা আগাম হামলায় অংশ নেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হতে পারে। এই আইনি বাধ্যবাধকতার কথা মাথায় রেখেই ব্রিটেন আমেরিকার এই প্রস্তাবে সায় দেয়নি।

পেন্টাগন ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানার জন্য ওয়াশিংটন একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করছে। যদিও স্ট্যরমার সরকার স্পষ্ট করেছে যে, আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা এড়াতে তারা ব্রিটিশ মাটি থেকে এই ধরণের কোনও অভিযানের অনুমতি দেবে না। আরএএফ ফেয়ারফোর্ড মার্কিন বিমানবাহিনীর বোমারু বিমান পরিচালনার জন্য ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। এখান থেকে অনুমতি না মেলায় মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় কিছুটা রদবদল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ভবিষ্যৎ এবং সেখানে অবস্থিত ব্রিটিশ-মার্কিন যৌথ সামরিক ঘাঁটি ‘দিয়েগো গার্সিয়া’ নিয়ে চলমান আলোচনা এখন নতুন মোড় নিয়েছে। এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধ এখন সরাসরি এই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাটির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আরও পড়ুনঃ গোল্লায় যাক দেশের অর্থনীতি! আইফোন হাতে লাইনে উচ্চশিক্ষিত তরুণীও; ভাতা হাতে মেরুদণ্ডহীন বাংলার শিক্ষিত তরুণ প্রজন্ম

চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরের বিষয়ে ব্রিটেনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন যে, ‘’কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া একটি বড় ভুল হতে পারে।” ট্রাম্পের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ডিয়েগো গার্সিয়া এবং আরএএফ ফেয়ারফোর্ড (RAF Fairford) ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশাধিকার বজায় রাখা অপরিহার্য। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, একটি “অত্যন্ত অস্থির এবং বিপজ্জনক শাসনে”র পক্ষ থেকে আসতে পারা সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করতে এই ঘাঁটিগুলো ভবিষ্যতে ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে।

সম্প্রতি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দিয়েগো গার্সিয়া এবং ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি (RAF) ব্যবহার করে মার্কিন সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা নিয়ে লন্ডনের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী, দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপপুঞ্জ থেকে আমেরিকা কোনও হামলা চালালে ব্রিটেনকে শুধুমাত্র ‘অবহিত’ করলেই চলবে। তবে ব্রিটিশ ভূখণ্ডে অবস্থিত রাজকীয় বিমানবাহিনীর (RAF) ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সুস্পষ্ট অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের মতে, এই সম্ভাব্য হামলা নিয়ে দীর্ঘদিনের সতর্কতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। বিশেষ করে কোনও ধরনের ‘প্রাক-প্রস্তুতিমূলক’ বা আগাম হামলার ক্ষেত্রে ব্রিটেন সরাসরি সমর্থন দিতে দ্বিধাগ্রস্ত। এর পিছনে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে ২০০১ সালের পরবর্তী আন্তর্জাতিক আইনের কিছু কঠোর নীতিমালা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন