ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান। এদিকে, তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত এবং ওই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হতে শুরু করেছে।
ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ভারতের জন্য ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করার ঘোষণা করেছে। এরপর ফের একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, ঢাকা এবং আগরতলা ও কলকাতার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা ‘মৈত্রী বাস পরিষেবা’ আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় চালু হতে চলেছে। যা দুই দেশের যাত্রীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।
ছাত্র বিদ্রোহ এবং তারপরে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন হয়েছে। এই আবহে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। তাই, এই বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করা হচ্ছে। এর ফলে, আগরতলার মানুষ আবারও ঢাকা হয়ে কলকাতায় সড়কপথে যাতায়াত করতে পারবেন। এই পরিষেবাটি বাংলাদেশে বিক্ষোভের পর অস্থিতিশীলতার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তীতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর অনিশ্চয়তার আবহে পরিষেবাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ হেঁসেল অপরিচ্ছন্ন, পচা খাবার, চাঞ্চল্যকর ছবি শিলিগুড়িতে
ভারত এবং বিশেষ করে ত্রিপুরার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক জটিলতা যাত্রী পরিবহণ পরিষেবা সহ আন্তঃসীমান্ত লেনদেনকে প্রভাবিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর ভারতের সঙ্গে আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।
এদিকে, বিষয়টির পরিপ্রেক্ষিতে ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (TRTC) ভাইস চেয়ারম্যান সমর রায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর আগরতলা থেকে ঢাকা হয়ে কলকাতায় মৈত্রী বাস পরিষেবা আবার শুরু হচ্ছে। ইতিমধ্যেই একটি সফল পরীক্ষামূলক অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এখন নিশ্চিত করা হচ্ছে যে পরিষেবাটি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পুনরায় চালু হবে।
তিনি আরও জানান যে, আগরতলা থেকে মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং রবিবার বাস চলাচল করবে, এবং কলকাতা থেকে আগরতলা পর্যন্ত সোমবার, বুধবার এবং শনিবার বাস চলবে। সমর রায় বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর এই পরিষেবা পুনরায় চালু হলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং যোগাযোগ অনেক সহজ হবে। সামগ্রিকভাবে মৈত্রী বাস সার্ভিস পুনরায় চালু করাকে প্রাথমিক পর্যায়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার দিকে একটি প্রতীকী এবং বাস্তব পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।









