Thursday, 28 May, 2026
28 May
Homeদক্ষিণবঙ্গBaharampur: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে 'বেনোজল'! বহরমপুরের যুবক আটক

Baharampur: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ‘বেনোজল’! বহরমপুরের যুবক আটক

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা নিয়ে একাধিক বেনিয়মের  ধরা পড়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাজ্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে নেওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। টানা তিন বছর ধরে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার অভিযোগে রাকিবুল শেখ নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় শুধু স্থানীয় প্রশাসন নয়, সরব হয়েছে রাজনৈতিক মহলও।

আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশকারীদের রাখতে উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় ৬ হোল্ডিং সেন্টার গড়ছে প্রশাসন

অভিযোগের নেপথ্যে

ঘটনার সূত্রপাত নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অন্নপূর্ণার ভান্ডার চালু করতে গিয়ে বলেন,  লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে প্রচুর বেনিয়ম হয়েছে!, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প রাকিবুল ইসলামও পাচ্ছেন!  লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা নিয়ে একাধিক বেনিয়মের  ধরা পড়েছে। নবান্নে এই প্রসঙ্গ তুলে ধরে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান রাজ্যে প্রায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ প্রাপক লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, যার মধ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ নাম ভুয়ো হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে বহরমপুরের রাকিবুল শেখের নাম উল্লেখ করে জানান, মহিলাদের জন্য নিবেদিত এই প্রকল্পে পুরুষ হয়েও কীভাবে রাকিবুল দীর্ঘ সময় ধরে সুবিধা পাচ্ছেন, তা তদন্তসাপেক্ষ।

অভিযুক্তের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

আটকের পর রাকিবুল শেখের বয়ান ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। রাকিবুলের দাবি, সে নিজে থেকে কোনোদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদনই করেনি। তার কথায়, “আমি আবাসের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমি নিজে থেকে কিছু করিনি, দীর্ঘদিন ধরে আমার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছিল। ব্যালেন্স চেক করতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারি।”

​শুধু তাই নয়, তদন্তকারীদের কাছে রাকিবুলের প্রশ্ন, “আমি তো একা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। আরও অনেকেই আছেন যারা এই সুবিধা নিচ্ছেন, তাদের বিষয়টিও দেখা উচিত।” বন্ধুর পরামর্শেই সে এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিল বলে দাবি করেছে।

আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ শাহের

প্রশাসনের পদক্ষেপ

এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মহিলাদের প্রকল্পের তালিকায় কীভাবে একজন পুরুষের নাম যুক্ত হলো এবং কীভাবে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া এড়িয়ে দীর্ঘ তিন বছর ধরে টাকা পৌঁছাল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, প্রকল্পের তালিকা যাচাইয়ের কাজ আরও দ্রুত করা হবে এবং ভুয়ো প্রাপকদের নাম তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হবে।

​সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এই ঘটনার তদন্তে উঠে আসতে পারে আরও বড় কোনো চক্রের নাম।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন