সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে রাজ্যসভার টিকিট দিয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই ইস্যুতেই খেপে উঠেছে তৃণমূলের মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক। কারণ মেনকা নাকি সমকামী।
আরও পড়ুনঃ জামকারান মসজিদে লাল পতাকা! চরমতম বদলার পথে ইরান!
ইসলামে সমকামিতার কোনও জায়গা নেই তাই মুসলিমদের একাংশ এই ইস্যু নিয়ে বেশ খেপে উঠেছে। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু প্রভাবশালী নেতা এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এই মনোনয়নের বিরোধিতা করছেন।
একজন বারেলভি মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভি বলেছেন, “সমকামী ব্যক্তিকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া ইসলামবিরোধী। মেনকা সমকামী জেনেও তাকে গুরুত্ব দেওয়া তৃণমূলের উচিত হয়নি।” এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। মেনকা গুরুস্বামী ভারতের সংবিধানিক আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ সালে সেকশন ৩৭৭ বাতিলের মামলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আরও পড়ুনঃ করাচি জুড়ে জারি হাই অ্যালার্ট, সংঘাতের আঁচ পাকিস্তানেও
যার ফলে সমকামিতাকে অপরাধমুক্ত করা হয়। তিনি খোলাখুলিভাবে নিজেকে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। তৃণমূল ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে ঘোষণা করে যে, ১৬ মার্চের রাজ্যসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে চারজন প্রার্থী প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার, মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং মেনকা গুরুস্বামী। দলের শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে এঁদের নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
যদি মেনকা নির্বাচিত হন, তাহলে তিনি ভারতের প্রথম খোলাখুলি এলজিবিটিকিউ সাংসদ হবেন, যা হতে পারে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কিন্তু তৃণমূলের এই পদক্ষেপ অনেকের কাছে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দলের মূল ভোটব্যাঙ্ক মুসলিম সম্প্রদায়, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়। অনেকে মনে করেন, এই মনোনয়ন সেই ভোটব্যাঙ্ককে ক্ষুব্ধ করতে পারে। মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভির মতো নেতারা বলছেন যে ইসলামে সমকামিতা নিষিদ্ধ, তাই এমন ব্যক্তিকে প্রতিনিধিত্ব দেওয়া দলের জন্য অস্বস্তিকর।









