ধেয়ে আসছে ‘সে’। আবহাওয়া বদলাতে চলেছে ব্যাপকভাবে। মার্চের শেষভাগে যেখানে প্রচণ্ড গরমে হাসফাঁস করতে হয়, সেখানেই হতে চলেছে তুমুল বৃষ্টি। সঙ্গে ব্যাপক ঝড়, শিলাবৃষ্টিও হতে চলেছে। এমনটাই পূর্বাভাস মৌসম ভবনের। গরমের শুরুতেই হঠাৎ এমন তুমুল ঝড়-বৃষ্টি বিরল ঘটনা বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
পুরো মেঘে ঢেকেছে ভারত। সেই মেঘের চাদর এতটাই ঘন যে মহাকাশ থেকেও দেখা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, শুধু ভারত নয়, আফগানিস্তান থেকে শুরু হয়ে পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে ভারত পর্যন্ত দীর্ঘ এক হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত হয়েছে একটি রেইন ব্যান্ড।
আরও পড়ুনঃ শুরু Countdown! বিকেলের পরই কলকাতায় প্রবল দুর্যোগ
মৌসম ভবনে পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর পাকিস্তানের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে যা ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করছে ভারতের উপরে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে এর প্রভাবে ইতিমধ্যেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এই ঝঞ্ঝার প্রভাব বিশেষভাবে পড়বে দক্ষিণ কর্নাটক, অন্ধ্র প্রদেশ, কেরল, তামিলনাড়ু সহ পার্শ্ববর্তী একাধিক রাজ্যে।
আরও পড়ুনঃ যুদ্ধের মাঝেই ১৯ বছর বয়সি কুস্তিগীর সহ ৩ জনকে প্রকাশ্যে ফাঁসি
এছাড়া একাধিক ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশের পূর্ব অংশ, পশ্চিম রাজস্থান, হরিয়ানা, অসম, অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকা এবং কেরল-তামিলনাড়ুর অভ্যন্তরীণ অংশে। আগামী ২২ মার্চ আরও একটি নতুন পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে।
সাধারণত এই সময়ে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা বা ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় না। ভারতে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতি মাসে চার থেকে ছয়টি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা তৈরি হয়। তবে এটি তৈরি হয়েছে ভূমধ্যসাগর, কৃষ্ণসাগর, পারস্য উপসাগরের জল বাষ্পে পরিণত হওয়ায়। মধ্য প্রাচ্যের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আরব সাগর থেকে জল বাষ্পীভূত হয়ে হিমালয় পর্বতের উপরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়াচ্ছে।




