Friday, 10 April, 2026
10 April
HomeকলকাতাBJP: তৃণমূলের ভাঙনের শুরু! গোসাবাতে নির্বাচনের আগেই তৃণমূল খালি করে বিজেপিতে যোগের...

BJP: তৃণমূলের ভাঙনের শুরু! গোসাবাতে নির্বাচনের আগেই তৃণমূল খালি করে বিজেপিতে যোগের ঢল

আজ কলকাতার রাজ্য বিজেপি সদর দপ্তরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে পদ্ম শিবিরে নাম লেখালেন তাঁরা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ক্যানিং ও গোসাবায় নির্বাচনী আবহে তৃণমূল ছাড়ার ঢেউ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই দুই বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক কর্মী-নেতা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে বিজেপির পতাকা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষেক হয়েছে তাঁদের। নির্বাচন যত এগোচ্ছে, তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও দলত্যাগের ঘটনা যেন আরও বেড়ে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার বুথে পরিকাঠামোর অভাব! বেজায় চটেছে নির্বাচন কমিশন

আজ মঙ্গলবার ক্যানিং ও গোসাবা এলাকায় বিজেপির একটি বড় অনুষ্ঠানে এই যোগদানের ঘটনা ঘটে। শুভেন্দু অধিকারী নিজে উপস্থিত থেকে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য, মণ্ডল নেতা ও সাধারণ কর্মীদের বিজেপিতে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা নেতৃত্বও। যোগদানকারীদের মধ্যে ছিলেন কয়েকজন তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রতিনিধি এবং দলের সক্রিয় কর্মী।

তাঁরা শুভেন্দুর হাত থেকে গেরুয়া পতাকা নিয়ে বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করেন।যোগদানকারীদের অভিযোগ , “দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির কারণে তারা হতাশ পড়েছেন। সাধারণ মানুষের কাজ করার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। বিজেপির উন্নয়নমূলক রাজনীতি ও শুভেন্দুবাবুর নেতৃত্বে আমরা আস্থা রাখতে চাই।” আরেকজন পঞ্চায়েত সদস্য জানান, “এলাকায় তৃণমূলের তোলাবাজি, হামলা ও ভয়ের রাজনীতি সহ্য করতে না পেরেই বিজেপি যোগ।

আরও পড়ুনঃ এটাই কি তৃণমূল কংগ্রেসের দৃষ্টিভঙ্গি! লাভলির পোস্টে বাংলাদেশ ভোট হ্যাশট্যাগ! ভয়ানক প্রবণতা

শুভেন্দু অধিকারী এই যোগদানকে “তৃণমূলের ভাঙনের শুরু” বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “ক্যানিং-গোসাবার মানুষ আর তৃণমূলের অত্যাচার সহ্য করতে চান না। তাঁরা পরিবর্তন চান। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির জয়রথ কেউ আটকাতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, “তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁরা চান শান্তি ও উন্নয়ন। আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই।”

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ক্যানিং ও গোসাবা ঐতিহাসিকভাবে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় স্তরে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, পঞ্চায়েত নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বেড়েছে। বিজেপি নেতারা বলছেন, এই যোগদান শুধু সংখ্যাগত লাভ নয়, বরং তৃণমূলের গ্রাসরুট লেভেলে ভাঙনের ইঙ্গিত। গোসাবা ও ক্যানিংয়ের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আরও কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে খবর।

কে কে যোগদান করলেন বিজেপিতে?

১. অনিমেষ মণ্ডল– উপাধ্যক্ষ, জেলা পরিষদ (দক্ষিণ ২৪ পরগনা) ২. বাসন্তী পাত্র – ব্লক মহিলা নেত্রী, গোসাবা ৩. তাপস মণ্ডল– পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতি ৪. গীতা রানি কুইলা– বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতি ৫. রঞ্জন মণ্ডল– উপপ্রধান, আমতলী গ্রাম পঞ্চায়েত ৬. বরুণ প্রামাণিক– প্রাক্তন প্রধান (৩ বারের), শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েত ৭. সুলতা প্রামাণিক– প্রধান, শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েত ৮. প্রবীর মণ্ডল– উপপ্রধান, লাহিরীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ৯. বিকাশ নস্কর– অঞ্চল সভাপতি, গোসাবা গ্রাম পঞ্চায়েত ১০. হরিদাস হালদার– অঞ্চল সম্পাদক, গোসাবা গ্রাম পঞ্চায়েত ১১. সঞ্জীব মণ্ডল – উপপ্রধান, গোসাবা গ্রাম পঞ্চায়েত ১২. অঞ্জলি সরদার– প্রধান, আমতলী গ্রাম পঞ্চায়েত ১৩. ধীমান মণ্ডল– ব্লক যুব সভাপতি, বালি-১ (সহ মোট ২৩ জন প্রথম সারির নেতা ও জনপ্রতিনিধি)

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন