বাইক-বাহিনী। আক্ষরিক অর্থেই বাংলার ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবার বাইকে সওয়ার হতে চলেছে বাহিনী! বাংলার ভোটে বাইক বাহন হতে পারে গেম চেঞ্জার। এতদিন দুষ্কৃতীরা বাইকে চড়ে ভোটারদের ভয় দেখানোর কাজ করত। এবার সেই বাইকে চড়েই দুষ্কৃতীদের দমন করবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
হাতে পাঁজি বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোট
মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘সাইলেন্স পর্ব‘
আরও পড়ুনঃ ‘একটা গুলি চালালে, দুটো চালাব!’ হিমন্তের রণহুঙ্কার
তার ঠিক ৭২ ঘণ্টা আগে বাংলার ভোটে অশান্তকারীদের প্রতি নির্বাচন কমিশনের কলার টিউন— ‘SILENCE PLEASE’
বাংলার ভোটে দুষ্ট দমনে এই পরিকল্পনাই নিয়েছে নির্বাচন কমিশন
বাংলার ভোটে ‘বাইক বাহিনী’ শব্দবন্ধ ত্রাসের সমার্থক
এবার সেই ত্রাস নির্মূলের কাজে বাইকে সওয়ার হয়ে গণতন্ত্রের ডান্ডা চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী
এর জন্য জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, রিটার্নিং অফিসারদের ভাড়ায় বাইক নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে কমিশন
আরও পড়ুনঃ “গুন্ডাদের জায়গা জেল বা শ্মশান”; নিশানা রাজনাথের
বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের আগে সোমবারই শেষ প্রচার
ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে এলাকা এলাকায় সব রকমের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কমিশন
বিশেষত এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে সব এলাকায় নাম বাদ গিয়েছে সেখানে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন
কমিশনের আশঙ্কা, ভোটার তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিদের উত্তেজিত করে অশান্তি বাঁধাতে পারে দুষ্কৃতীরা
যার প্রেক্ষিতে ৭২ ঘণ্টা আগে থেকেই ভোটমুখী সব জেলার পুলিশ প্রশাসনকে অ্যালার্ট মোডে রেখেছে কমিশন



