এক হাজার টাকায় কী হয়? এক মাস তো দূর, একদিন হয়তো খরচ চলে। তবে এটাই অনেকের পেনশন। বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির সময়ে এত কম টাকায় চলে না। তবে প্রবীণ নাগরিকরা এবার কিছুটা হলেও স্বস্তি পেতে পারেন। কেন্দ্রের বড় পরিকল্পনা। এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের অধীনে ন্যূনতম পেনশন বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এবং সেই বৃদ্ধিটাও এক লাফে অনেকটাই।
আরও পড়ুনঃ ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়তে পারে LPG, ৪-৫ টাকা বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজেল; মাথায় হাত গৃহস্থের
সূত্রের খবর, ১ হাজার টাকা নয়, পেনশনভোগীদের ইপিএসে ন্য়ূনতম পেনশন ৭৫০০ টাকা করা হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই লেবার ইউনিয়ন থেকে শুরু করে সাধারণ পেনশনভোগীরা ইপিএসে ন্যূনতম পেনশন বাড়ানোর দাবি করছিল। সংসদীয় প্যানেলও এই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে। তবে সরকারের তরফে এখনও পেনশন বাড়ানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
যদি সরকার এই প্রস্তাবনায় রাজি হয়, তাহলে ইপিএস-৯৫ এর অধীনে পেনশনভোগীরা উপকৃত হবেন। বিশেষ করে অধিকাংশ পেনশনভোগীরা, যাদের আর্থিক অবস্থা ভাল নয় এবং পেনশনের উপরেই নির্ভর করতে হয়, তাদের সুবিধা হবে। চিকিৎসার খরচ, দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে অনেকটাই সুবিধা হবে।
ইপিএসে ন্যূনতম পেনশন বাড়ানোর পাশাপাশি ইপিএফেও একাধিক পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শীঘ্রই এটিএম থেকে পিএফের টাকা তোলা যাবে। ইউপিআইয়ের মাধ্যমেও টাকা তোলা যাবে।
অন্যদিকে, ইপিএফের সুদের হার বৃদ্ধি করার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। ৮.২৫ শতাংশ হারে সুদ বাড়ানোর দাবি করা হয়েছে।


