ভোট গণনার শুরুতেই পোস্টাল ব্যালটের প্রাথমিক ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে বাংলার দুই হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রের ফলাফল দুই দিকে মোড় নিচ্ছে। হাই-ভোল্টেজ নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে পোস্টাল ব্যালট গণনায় বর্তমানে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এই কেন্দ্রে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেসের পবিত্র কর বর্তমানে পিছিয়ে রয়েছেন। ৩০০০ ভোটে লিড করছেন শুভেন্দু৷
অন্যদিকে, ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের গড় ধরে রেখেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, সেখানে তিনি লিড করছেন। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে মমতার থেকে পিছিয়ে রয়েছেন।
গণনা সবে শুরু হয়েছে এবং পোস্টাল ব্যালটের পর ইভিএম কাউন্টিং শুরু হলে এই চিত্র বদলাতে পারে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
আরও পড়ুনঃ মমতাকে হারালেই BJP-র ‘লেজেন্ড’ শুভেন্দু! ভবানীপুরে বাজিমাত কার?
ভবানীপুরের ভোটগণনার লাইভ আপডেট
সকাল ৯ টা ২৩ মিনিট: পোস্টাল ব্যালটে হাওড়া দক্ষিণে এগিয়ে আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নন্দিতা চৌধুরী। শিবপুরে এগিয়ে আছেন বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষ। উলুবেড়িয়া পূর্বে এগিয়ে আছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিতে এগিয়ে আছেন কৈলাস মিশ্র। হাওড়া উত্তরে এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী উমেশ রাই।
— সকাল ৯ টা ১৮ মিনিট: প্রাথমিক ট্রেন্ডে বলাগড়, চাঁপদানি, আরামবাগে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস। সকাল ৯ টা ১৮ মিনিট: মধ্য হাওড়ায় এগিয়ে আছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ রায়। যিনি বিদায়ি মন্ত্রী।
— সকাল ৯ টা ৯ মিনিট: নদিয়ার কালীগঞ্জে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস।
— সকাল ৯ টা: ভবানীপুরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ উঠেছে যে নির্বাচন কমিশনের প্রদান করা সচিত্র পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, রিটার্নিং অফিসার ও স্থানীয় অবজার্ভার সহযোগিতা করছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
— সকাল ৮ টা ৪৭ মিনিট: গণনা শুরু হওয়ার পরে ৪৭ মিনিট অতিক্রান্ত। তবে ভবানীপুরের এখনও প্রাথমিক ট্রেন্ড সামনে আসেনি। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে গণনা হচ্ছে শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে।
সকাল ৮ টা: ভবানীপুর আসনে ভোটগণনা শুরু হয়ে গেল। দক্ষিণ কলকাতার শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনা হচ্ছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের। প্রথমে পোস্টাল ব্যালটের গণনা হবে। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট থেকে ইভিএমের গণনা শুরু হওয়ার কথা আছে।
— ভবানীপুর শুভেন্দুর জন্য ‘উইন-উইন সিচুয়েশন’। যদি মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়ে জিতে যান, তাহলে বঙ্গ বিজেপিতে তাঁকে ছোঁয়ার মতো কোনও নেতা থাকবেন না। আবার হেরে গেলেও বলতে পারবেন যে দেখুন, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় ঢুকে লড়াই করে এসেছি। সেই চ্যালেঞ্জটা নিয়েছি।


