২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল যত স্পষ্ট হচ্ছে, ততই যেন বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। একদিকে যখন ১৮ বছরের তৃণমূল শাসন হঠিয়ে নবান্ন দখলের পথে এগোচ্ছে বিজেপি, ঠিক তখনই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে হিংসা ও অশান্তির খবর। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নজিরবিহীন নির্দেশ দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ TMC দুর্গেও হানা BJP-র! ঘূর্ণিঝড় না হলেও বাংলায় আছড়ে পড়ল পরিবর্তনের কালবৈশাখী
রক্তাক্ত কাউন্টিং হল: নিশানায় তৃণমূল
বেলা যত গড়িয়েছে, ট্রেন্ড ততই স্পষ্ট হয়েছে। বিজেপি এই মুহূর্তে ১৯১টি আসনে এগিয়ে গিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যাজিক ফিগার’ ১৪৮-এর গণ্ডি অনায়াসেই পার করে ফেলেছে। তৃণমূল থমকে রয়েছে মাত্র ৯৭টি আসনে। এই ট্রেন্ড সামনে আসতেই গেরুয়া শিবিরে যখন জয়ের অকাল হোলি শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই আসানসোলে বেঁধেছে তুমুল সংঘর্ষ। অভিযোগ, গণনাকেন্দ্রের বাইরে থাকা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয়েছে। অশান্তির খবর মিলেছে নোয়াপাড়া এবং বীজপুর থেকেও, যেখানে বুথের ভেতর প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ।
কালীঘাটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা
ইতিহাসে প্রথমবার কোনও নির্বাচনের গণনা চলাকালীন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কমিশনকে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হল। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, ফল ঘোষণার পর পরাজয়ের গ্লানি বা জয়ের উল্লাস থেকে যাতে কোনও বড়সড় গোলমাল না বাঁধে, সেই কারণেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেও নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনার এবং জেলাশাসকদের কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুনঃ অভিষেকের ডায়মন্ড মডেল ডাহা ফেল! বিজেপির প্রার্থী দীপক কুমার হালদার ২৫৮০ ভোটে এগিয়ে ডায়মন্ডহারবারে
২০২৬-এর ঝোড়ো ট্রেন্ড (দুপুর ৩টে পর্যন্ত):
বিজেপি: ১৯১+
তৃণমূল: ৯৭
বাম জোট: ০৩
অন্যান্য: ০২


