Tuesday, 5 May, 2026
5 May
HomeকলকাতাWest Bengal: দিকে দিকে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর, কাউন্সিলরদের মার

West Bengal: দিকে দিকে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর, কাউন্সিলরদের মার

পার্টি অফিসের সামনেই ওড়ে গেরুয়া আবির। তৃণমূলের পতাকা খুলে লাগানো হয় বিজেপির পতাকা।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

গেরুয়া ঝড়ে কার্যত উঠে গেল অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূম । দিকে দিকে ফুটল পদ্মফুল ৷ জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা ৷ হেরে গিয়েছেন পাঁচবারের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে দলের অন্য দুই জয়ী প্রার্থী ৷ আর এরপরেই দিকে দিকে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটের ফল প্রকাশ পরবর্তী হিংসা ।

আরও পড়ুনঃ বিদায় মাননীয়া, বিদায়; দীর্ঘ অপেক্ষার এক বৃত্ত সম্পূর্ণ

সোমবার ফলাফলে গেরুয়া দাপট শুরু হতেই বোলপুরে গণনা কেন্দ্রের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয় ৷ মারধর করা হয় তৃণমূল কাউন্সিলরদের । কীর্ণাহারে তৃণমূল কর্মীদের দোকান ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় ৷ দিকে দিকে উত্তেজনা খবর সামনে আসে ৷ অনুব্রত মণ্ডলের নীচুপট্টীর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয় ।

একসময়ের বামদুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল লালমাটির জেলা বীরভূম । নানুরে সূচপুর গণহত্যার পর এই জেলায় পায়ের তলায় মাটি পেয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । পরে অনুব্রত মণ্ডলের হাত ধরে লাল গড় পরিণত হয় সবুজ দুর্গে ৷ ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর পঞ্চায়েত, পুরসভা নির্বাচনে দিকে দিকে জোড়া ফুল ফুটেছিল ৷ দোর্দণ্ডপ্রতাপ অনুব্রতর গড়ে দাঁত ফোটানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল গেরুয়া শিবিরের ৷
২০২২ সালে গরুপাচার ও আর্থিক তছরূপ মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের তিহার যাত্রার পরেও অটুট ছিল এই গড় ৷

আরও পড়ুনঃ ‘এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত…’; বিজেপি-র জয়ের পর শুভেচ্ছা এল জিতের থেকে

কিন্তু, এবার রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূম জেলায় রীতিমতো গেরুয়া ঝড় ৷ জেলার 11টি বিধানসভার মধ্যে বোলপুর, নানুর, হাসন, মুরারই, নলহাটি বিধানসভায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল । বাকি সিউড়ি, রামপুরহাট, ময়ূরেশ্বর, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া, লাভপুর বিধানসভার সম্মানজনক ব্যবধানে পদ্ম ফুটেছে ৷ দিকে দিকে গেরুয়া আবির, জয় শ্রীরাম লেখা পতাকায় ছয়লাপ ।

এরপরেই শুরু হয় ভোট পরবর্তী হিংসা ৷ নানুর বিধানসভার কীর্ণাহারে তৃণমূল কর্মীর দোকানে আগুন লাগানোর খবর সামনে আসে ৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নানুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী । অন্যদিকে, বোলপুর কলেজে গণনা কেন্দ্রের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিসে ভাঙচুর চালায় বিজেপি কর্মীরা ৷ শতাধিক চেয়ার ভেঙে দেওয়া হয় ৷ মারধর করা হয় তৃণমূল কাউন্সিলরদেরও ৷

টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবার পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস। অভিযোগ, তিনি হারতেই তাঁর পার্টি অফিস দখল করে নিল বিজেপি। পার্টি অফিসের সামনেই ওড়ে গেরুয়া আবির। তৃণমূলের পতাকা খুলে লাগানো হয় বিজেপির পতাকা। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। বিধানসভা এলাকার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের নর্দান পার্কে তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিসে হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম কুমার বোসের অফিসেই হামলা চালায় একদল যুবক হামলা চালায়। তালা ভেঙে অফিসের মধ্যে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এমনকি অফিসের মধ্যে থাকা জিনিসপত্র রাস্তায়। কলকাতার মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে একের পর এক জায়গাতে হামলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। অনেক কর্মী ঘর ছাড়া। তবে এলাকার মানুষ জানিয়েছেন এক সময় এই সব কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে। তোলাবাজী চালিয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন