সল্টলেকের বিজেপি দফতরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “সরকার সরকারের মতো চলবে। দলের সঙ্কল্পপত্র যাতে রূপায়িত হয়, তার জন্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকবে। এই সরকার বিজেপি সরকার হবে না। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার হবে।”
বদলেছে সরকার। রদবদল হতে শুরু করেছে রাজ্য প্রশাসনেও। বাংলার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নতুন সরকারের আমলে একের পর এক আমলা বদলির নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। রবিবারই ১০ আমলাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৯জনকে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে (CMO) নিয়োগ করা হয়েছে। তবে, বাকি একজনকে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে অন্য জায়গায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ নতুন সরকারের প্রশাসনিক চালচিত্রে ‘বাম’ ছায়া! ভোটব্যাঙ্কের অঙ্ক নাকি অভিজ্ঞতায় আস্থা?
মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে কর্মরত পবিত্র চক্রবর্তীকে বদলি করে পাঠানো হচ্ছে উত্তরবঙ্গে। পবিত্র চক্রবর্তী স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের সহকারী সচিব ছিলেন। জনস্বার্থে তাঁকে অবিলম্বে কোচবিহারে পাঠানো হয়েছে। নর্থ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (NBSTC)-এর পরিবহন ভবনে তাঁকে পাঠানো হয়েছে। যদিও. তিনি তাঁর বেতন স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতর থেকেই পাবেন।
এর আগে ৯জন আমলাকে বদলি করে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে নিয়োগ করা হয়েছে। তার মধ্যে দুইজন আইএএস অফিসার। যুগ্ম সচিব হয়েছেন ২০১৯ ব্যাচের আইএএস পি প্রমোথ ও ২০২০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নবনীত মিত্তল। এছাড়া, ৭ জন WBCS অফিসারকে সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে বেশি চর্চা চলছে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার সুরজিৎ রায়কে নিয়ে। ভোট-পর্বে তৃণমূল অভিযোগ করেছিল, সুরজিৎ নন্দীগ্রামের বিডিও থাকাকালীন শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এবার সেই সুরজিতকেই তাঁকে সিএমও-তে নিয়োগ করা হয়েছে।


