Friday, 15 May, 2026
15 May
Homeসমস্তTMC: ‘৪ দশকের আনুগত্যের পুরস্কার’, পদ খুইয়ে বেসুরো কাকলি

TMC: ‘৪ দশকের আনুগত্যের পুরস্কার’, পদ খুইয়ে বেসুরো কাকলি

সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসা করেছিলেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর এবার তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহের সুর আরও চওড়া হচ্ছে। লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদ থেকে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই রদবদলের পরেই সমাজমাধ্যমে নাম না করে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ ও অনুযোগ প্রকাশ করেছেন কাকলি।

কাকলির পোস্টে বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার কালীঘাটে দলের সাংসদদের নিয়ে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই এই রদবদলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর পরেই শুক্রবার সকালে একটি ফেসবুক পোস্টে কাকলি লেখেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।” উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালে মমতা যখন ছাত্র পরিষদের নেত্রী, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিচয় কাকলির। ১৯৮৪-তে মমতার ঐতিহাসিক জয়ের সময়ও তিনি পাশে ছিলেন। সেই দীর্ঘ সম্পর্কের দোহাই দিয়েই কাকলি বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাঁর এই পদচ্যুতিকে তিনি অপমানজনক ‘পুরস্কার’ হিসেবেই দেখছেন।

আরও পড়ুনঃ হেলমেট ছাড়া বাইক চালালেই পাকড়াও, রণংদেহী রূপে কলকাতা পুলিশ

পুরনো পদে ফিরলেন কল্যাণ

গত বছর আগস্টে মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে বিবাদের জেরে মুখ্যসচেতক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন কাকলিকে সেই পদে আনা হয়। কিন্তু ভোটের পর পরিস্থিতি বদলাতেই কল্যাণকে পুনরায় পুরনো পদে ফিরিয়ে আনা হলো। এর ফলে সংসদীয় দলে কাকলির হাতে বর্তমানে কোনো পদ রইল না, যা তাঁর ক্ষোভের প্রধান কারণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দলের অন্দরে অস্থিরতা

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলে অস্বস্তি বাড়ছে। একদিকে কুণাল ঘোষের ‘আত্মবিশ্লেষণ’-এর দাবি, অন্যদিকে একাধিক নেতার সাসপেনশন, সব মিলিয়ে নবান্ন দখলের স্বপ্নভঙ্গের পর ঘাসফুল শিবিরের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মমতা সাংসদদের ‘বেঁধে বেঁধে’ থাকার বার্তা দিলেও, কাকলির এই পোস্ট বুঝিয়ে দিল যে ফাটল বেশ গভীর।

আরও পড়ুনঃ শিব তাণ্ডব স্ত্রোত্রপাঠে বিশ্বরেকর্ড ভারতীয় শিশুর

ফলাফল বনাম রদবদল

আশ্চর্যের বিষয় হলো, পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এই রদবদল হয়েছে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। কারণ কাকলির বারাসত কেন্দ্রে ৭টির মধ্যে ৫টি বিধানসভায় জিতেছে বিজেপি। আবার কল্যাণের শ্রীরামপুরেও বিজেপি ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে। ফলে কেন কাকলিকে সরিয়ে কল্যাণকে ফেরানো হলো, তা নিয়ে দলের অন্দরেও ধন্দ তৈরি হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন