তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ বুলডোজার দিয়ে ভাঙার প্রতিবাদ। আর সেই প্রতিবাদ জানাতে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টে বেআইনি জমায়েত। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ইটবৃষ্টি করে। পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় জখম হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মী। রাস্তায় বাসেও ভাঙচুর চালানো হয়। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের কাউকে ছাড়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস।ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার ব্যবহারের প্রতিবাদে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টে উপস্থিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের বক্তব্য, এই জমায়েতের কোনও অনুমতি ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরের লোকও জমায়েতের মধ্যে ছিল। পুলিশ রাস্তা থেকে জমায়েতকারীদের সরাতেই গেলেই উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। মুহূর্তে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
আরও পড়ুনঃ মসজিদের শব্দ নিয়ন্ত্রণে পুলিশি অভিযানকে ‘সংখ্যালঘু দমনের ষড়যন্ত্র’ আক্রমণ সৌগতর
স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অবৈধ জমায়েতে বাইরের লোকও মিশে ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইন্টেলিজেন্সের তথ্য পেয়ে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ। সেজন্য বড় ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত সিপি অশেষ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “অবৈধ জমায়েত হয়েছিল। রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করছিল। পুলিশ হঠাতে গিয়েছিল। তখন পুলিশের উপর হামলা চালায়। পুলিশের তিনটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।”
আরও পড়ুনঃ আমতায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভাঙচুর স্থানীয়দের
পুলিশের উপর হামলাকারীদের ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এর পিছনে কারা রয়েছে, আমরা খতিয়ে দেখছি। সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরে থেকেও লোক এসেছিল। আমরা সব খতিয়ে দেখছি। কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা কাউকে ছাড়ব না। কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমাদের ৩ পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। আমাদের কাছে ইন্টেলিজেন্সের তথ্য ছিল। আমরা তৈরি ছিলাম। সেজন্য বড় কিছু হয়নি।” বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশের উপর হামলা হলে লাঠিচার্জ হবেই। জেন্ডার দেখা হবে না।”


