Thursday, 21 May, 2026
21 May
HomeকলকাতাKolkata: জ্বালানি সাশ্রয়ে চালু হোক ট্রাম রুট; দাবি পরিবেশ কর্মীদের

Kolkata: জ্বালানি সাশ্রয়ে চালু হোক ট্রাম রুট; দাবি পরিবেশ কর্মীদের

বিগত সরকার চক্রান্ত করে ট্রাম তুলে দিয়েছিল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের মানুষকে বার্তা দিয়েছিলেন ওয়ার্ক ফ্রম হোমের। এমনকি নিজেও কনভয় গাড়ির সংখ্যা কমিয়েছেন। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সেই পথে হেঁটেছেন। তার দলের বিধায়কদের সাইকেল চালিয়ে বিধানসভায় আসতে দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই পরিবেশ কর্মীরা দাবি তুলছেন পরিবেশ বান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে সাইকেল ও ট্রাম এই দুই যানের ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হোক। কলকাতার রাজপথে বিশ্বের উন্নত শহরগুলির মতো তৈরি হোক সাইকেল বে। বন্ধ হয়ে যাওয়া সমস্ত ট্রাম রুটে ফের চলুক ট্রাম।

আরও পড়ুনঃ শশী থেকে কলতান, নিজের বুথেই ল্যাজেগোবরে হেভিওয়েটরা

শহরে একেক লক্ষ মানুষের আছে সাইকেল। সকালে কাগজ দেওয়া থেকে দুধ দেওয়া এমন নানা কাজে সাইকেল ব্যবহার হয়। শুধু তাই নয় শহরতলী বহু মানুষ সাইকেল ব্যবহার করেন। সাইকেল বিশ্বের সবচেয়ে পরিবেশ বান্ধব যান। একই ভাবে ট্রামও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বে জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতিতে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কথা বলছেন। গাড়ি ব্যবহার কমাতে। তবে এই পরিস্থিতিতে বিকল্প যান কলকাতায় দুটি হতে পারে যা জ্বালানি প্রয়োজন লাগে না। অন্যদিকে পরিবেশ বান্ধব। সেটা হল সাইকেল ও ট্রাম। কিন্তু, বাস্তবে শহর কলকাতার রাজ পথে সাইকেল চালানোই নিষিদ্ধ। হাতে গোনা কয়েকটি ট্রাম চলে দু-একটি রুটে। ফলে এই দুই যান ব্যবহার আরও বৃদ্ধি করতে উদ্যোগ নিক বর্তমান রাজ্য সরকার এমনটাই বলছেন পরিবেশ কর্মীরা।

পরিবেশ বিজ্ঞানী স্বাতী নন্দী চক্রবর্তী বলেন, “জ্বালানি সাশ্রয় করতে ও পরিবেশ রক্ষায় সাইকেল ও ট্রামের কোনও বিকল্প নেই। বিশ্বের উন্নত দেশগুলির শহরগুলিতে সাইকেলের জন্য ডেডিকেটেড রাস্তা আছে। কলকাতায় ও বড় রাস্তাগুলিতে যতটা সম্ভব এই ডেডিকেটেড লেন তৈরি করলে ভালো হয়। পাশাপাশি ট্রামের সমস্ত রুটগুলি আবার চালু করলে সুবিধা। নতুন সরকারকে এই বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে ভাবতে হবে।”

পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী নব দত্তের কথায়, “নতুন বিধায়কদের যখন কলকাতার পথে সাইকেল চালিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে তখন বর্তমান পরিস্থিতিতে সাইকেল চালাতে সাধারণ মানুষকে অনুমতি দেওয়া উচিত। পুলিশ সাধারণকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে। প্রচুর খেটে খাওয়া মানুষ সাইকেল ব্যবহার করেন। শহরের রাস্তায় চালাতে দিলে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা বাস্তবায়ন হবে। পরিবেশ রক্ষা পাবে। দূষণ কমবে। মানুষগুলির উপকার হবে। বিগত সরকার চক্রান্ত করে ট্রাম তুলে দিয়েছিল। গোটা পরিবহণ পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করত। ট্রাম ও সাইকেলের বিকল্প হয় না। নতুন সরকারের কাছে আবেদন সব বিবেচনা করে এই দুই পরিবহণ যান পর্যাপ্ত পরিকাঠামো তৈরি করুক। প্রয়োজনে নীতি বদল হোক। আইন বদল হোক।”

আরও পড়ুনঃ ৩০০ মিলিয়নের ঐতিহাসিক ব্রহ্মোস চুক্তির দোরগোড়ায় মোদী সরকার

পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের কলকাতা জেলা সম্পাদক শেখ সোলেমান বলেন, “সাইকেল ও ট্রাম জ্বালানি লাগে না। দূষণ নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয় ভাবছেন তখন এই দুটি বিষয় রাজ্যের সরকারের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া দরকার।”

এই বিষয় কলকাতা কর্পোরেশনের পরিবেশ বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য স্বপন সমাদ্দার বলেন, “পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরা যেটা দাবি করছেন সেটা অমূলক নয়। তবে শুধুই একদিক ভাবলে হবে না। পুলিশের নানা সুবিধা অসুবিধা আছে। রাস্তার ট্রাফিকের বিষয় আছে। আর ট্রাম আদালতের নির্দেশ মেনে পদক্ষেপ করেছিল আমাদের সরকার ও বোর্ড।”

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন