সুদিপ্ত সোম, শিলিগুরিঃ
আগেও বিধায়ক ছিলেন শঙ্কর ঘোষ। কিন্তু সরকারে বিজেপি ছিল না। ফলে বিজেপির সরকার গঠন হতেই এবার লম্বা লাইনে হাজির হয়ে মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ নিয়ে সরব হলেন। শিলিগুড়িতে বাঘাযতীন পার্কে সকাল ৮টা থেকে দু’ঘন্টা চলল শঙ্করের দরবার। পড়ে গেল লাইন। এসেছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষই। আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম যদিও দেওয়া হয়েছিল সরাসরি শঙ্কর।
আরও পড়ুনঃ GTA দুর্নীতি ফাঁসের হুঁশিয়ারি; কড়া অবস্থান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
সূত্রের খবর, দরবারে এসেছিলেন পুলিশ কর্মীরাও। রেল পুলিশের এক এএসআই তো একেবারে কাঁদতে কাঁদতে জানান তিনি জমি কিনে প্রতারিত হয়েছেন। অভিযোগ, বিজেপির কর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর থেকে টাকা নিয়েও জমি দেননি এক ব্যক্তি। কেউ আবার এসেছিলেন দ্রুত নিয়োগের দাবি নিয়েও। অবসরপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি আবার অভিযোগ জানান ফ্ল্যাট প্রতারণা নিয়ে। জানান, ইএম বাইপাসে তাঁর ফ্ল্যাট থাকলেও তৃণমূল জমানায় ফ্ল্যাট থেকে বিতারিত তিনি। লোনের কিস্তি মিটেলেও আর ফ্ল্যাটে ফিরতে পারেননি তৃণমূলের অত্যাচারে। লাইনে দাঁড়িয়েই এক ব্যক্তি বললেন, “অনেক আশা রয়েছে সরকারের থেকে। সাধারণ মানুষের স্বপ্নকে এতদিন চেপে রেখেছিল। কাউকে কথা বলতে দিতো না। এবার মানুষ ভরসা পেয়েছে। শঙ্করদার কাছে অনুরোধ এই ভরসা যেন টিকে থাকে।”
আরও পড়ুনঃ গুরুতর অভিযোগ! রাতের অন্ধকারে কলকাতা পুরসভা থেকে নথি সরানোর চেষ্টা?
সবার অভিযোগই মন দিয়ে শোনেন শঙ্কর ঘোষ। তাঁর সাফ কথা, সব নোট করে নিচ্ছি। যা অভিযোগ তা নির্দিষ্ট দফতরে জানাবো। এভাবে দরবার চলবে। গত ১৫ বছরের অত্যাচারের বিরুদ্ধে দলের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের অভিযোগ নিয়ে সরকার পদক্ষেপ করবে জিরো টলারেন্স মাথায় রেখেই। তিনি আরও বলছেন, “এটা তো জনগনের সরকার। মানুষের তো নানা ধরনের সমস্যা আছে। সব নিয়েই তাঁরা এসেছেন। জমি থেকে নিয়োগ নানা সমস্যা নিয়ে মানুষ এসেছেন। এগুলো সব মোট করেছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগে সবই জানিয়ে দেব।”



