রবিবার কালবৈশাখীর তাণ্ডব দেখা যেতে পারে রাজ্যের একাধিক জেলায়। দক্ষিণের জেলাগুলিতে এদিন প্রবল ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে রবিবারের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ভাঙলে লাভ কার! BJP না, আবার ফিরতে থাকা বামেদের?
একদিকে ঘূর্ণাবর্ত অন্যদিকে, অক্ষরেখা, এই দুইয়ের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে ছুটে আসছে জলীয় বাষ্প। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মধ্য পাকিস্তান থেকে অন্ধ্রের উত্তর উপকূল পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। অন্যদিকে, ওড়িশার দক্ষিণাংশের উপর দিয়েও বিস্তৃত রয়েছে ওই অক্ষরেখা। এছাড়াও বাংলাদেশ এবং আশপাশের অঞ্চলের উপরে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গে ৪ জুন থেকে বৃষ্টিপাত হতে পারে।
কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম রয়েছে। তবে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার দক্ষিণবঙ্গে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ের জন্য হলুদ সতর্কতা রয়েছে। দক্ষিণের বাকি জেলাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবারের পর সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দুই এক জেলার কিছু অংশে হতে পারে বৃষ্টি।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির দু’-এক জায়গায় রবি এবং সোমবার হালকা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে সতর্কতা জারির মতো পরিস্থিতি কোথাও হয়নি।দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙের মতো জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে ৪০ কিলোমিটার বেগে। তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে বুধবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে।জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে শুক্রবার ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে।



