জনতার মার, ডিম বৃষ্টি, ক্ষোভের আগুন, চোর স্লোগান– কখনও যে খোদ অভিষেককে এই ছবি দেখতে হবে তা হয়তো ভাবতেও পারেননি খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জনরোষের মুখে পড়ে সোজা হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দুই হাসপাতাল ঘুরলেও শেষ পর্যন্ত কেউ ভর্তি না নেওয়ায় বাড়িতেই চলছে চিকিৎসা। ইতিমধ্যেই সোনারপুরের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এ ঘটনায় এথনও পর্যন্ত খাতায়-কলমে অভিযোগ না করলেও পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হয়েছে বলে খবর। সেই কেসেই এবার শুরু ধড়পাকড়।
আরও পড়ুনঃ ‘সানডে হো ইয়া মানডে, রোজ খায়ে আন্ডে’; ইতিহাসে প্রথম কে ডিম ছুড়েছিলেন?
সূত্রের খবর, যে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁরা একসময় সোনারপুর দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের কাছের লোক ছিল বলে খবর। এলাকায় তাঁরা বারবারই তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় সদস্যও ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এদিনই ধৃতদের বারুইপুর আদালতে তোলা হচ্ছে। তাঁদের হেফাজতে নিয়েই পুরো ঘটনার গভীরে যেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে শনিবার বিকালে ঘটনার ভিডিয়ো ফুটেজও সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ ডিম গায়ে এসে পরলে চিন্তা কিসের? ডিম চুলের খুশকি কমায়, চামড়ার বলিরেখা দূর করে
অভিষেক শনিবারই মার খেয়ে বলেছিলেন পুরোটাই বিজেপির কাজ। কিন্তু যে জায়গায় কিছুদিন আগেও তৃণমূলের ব্যাপক দাপট ছিল সেখানে রাতারাতি এত বিজেপি কর্মী এলেন কোথা থেকে? এখানেই অন্য গন্ধ পাচ্ছেন আদি বিজেপি কর্মীরা। অনেকেই বলছেন পালাবদলের পর রাতারাতি তৃণমূল থেকে বিজেপি হয়ে নিজেদের বিজেপি কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে ঘুরছেন অনেকে। ফলে এর পিছনে তাঁদেরও কারও কারও হাত থাকতে পারে বলে মনে করেছেন এলাকার বিজেপি কর্মীরা। তবে সোনারপুর থানার পক্ষ থেকে যে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আসতেই চর্চা তুঙ্গে। তাঁরা প্রত্যেকেই পূর্বতন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের কাছের লোক ছিলেন বলেন জানা যাচ্ছে। ফলে তাতেই চাপানউতোর তুঙ্গে।



