কুকীর্তি থামছে না পাকিস্তানের। ধর্মের নামে, টাকার লোভ দেখিয়ে সন্ত্রাসবাদ তো চলছিলই। এবার আমজনতার মাঝে ঢুকে পড়ে বড়সড় ষড়যন্ত্রের ছক। তবে সেই পরিকল্পনা সফল করার আগেই তা ধরে ফেলল ভারতের গোয়েন্দা বাহিনী। কী প্ল্যান করেছিল পাকিস্তান?
পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স বা আইএসআই। তারা ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে নিজেদের খুঁটি শক্ত করতে ভয়ঙ্কর প্ল্যান কষেছে। ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার-দের নির্দেশ দিয়েছে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার। রাজনীতির আড়ালেই সন্ত্রাসবাদ চালানোর ছক তাদের।
আরও পরুনঃ আজ রাজ্যের লোক ভবনে ৩৫ মন্ত্রীর শপথ
জানা গিয়েছে, আইএসআই ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়ে, রাজনীতিতে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে। এরপর এই পরিচয়ের আড়ালেই সন্ত্রাসবাদী নিয়োগ, আর্থিক সাহায্য জোগাড় এবং অস্ত্র পাচার করা হবে।
এটা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত চাল বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা, কারণ রাজনৈতিক কাঠামোর ভিতরে থেকে কাউন্টার-টেরর সার্ভিল্য়ান্স এড়িয়ে নাকের ডগাতেই সন্ত্রাসবাদী কাজ চালানো যাবে।
সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ কিছু ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের গ্রেফতার করে। তাদের পকেট থেকে পাওয়া যায় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্যপদের কার্ডও। এরপরই কড়া জেরা করা হলে, গলগল করে সত্যিটা বলে দেয় তারা।
আরও পড়ুনঃ ফাইনালে বিরাট প্রাপ্তি, লাল জার্সির এক নতুন সাম্রাজ্য
প্রাক্তন ডিজিপি এসপি বৈদ্য় সতর্ক করেছেন আইএসআইয়ের এই পরিকল্পনা নিয়ে, কারণ এতে একটা বড় অংশের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কাররাই নিরাপত্তা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যাবে। এই মেম্বারশিপ কার্ডও তারা নিজেদের রক্ষাকবচ হিসাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। ইতিমধ্যেই এমন কিছু ঘটনাও সামনে এসেছে যেখানে রাজনৈতিক দলের মেম্বারশিপকে অস্ত্র করেই গোপনে অস্ত্র পাচার করেছে।
তবে গোয়েন্দারা বলছেন, এই প্ল্যান নতুন নয়। এর আগে ১৯৯০-র শেষভাগে এবং ২০০০ সালের প্রথমভাগেও এমন একাধিক ঘটনা উঠে এসেছিল। ২০২০ সালের জুলাই মাসে রিয়াসি থেকে এক লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, তিনি বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জম্মুতে দলের সংখ্যালঘু মোর্চার সোশ্যাল মিডিয়া ইনচার্জ ছিলেন। ধৃত ওই জঙ্গির বাড়ি থেকে দুটি একে-৪৭ রাইফেল, একাধিক গ্রেনেড এবং অন্য অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়।



