Tuesday, 2 June, 2026
2 June
Homeজ্যোতিষ/আধ্যাত্মিকতাRath Yatra: প্রকাশ্যে রথযাত্রা ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট; কবে স্নানযাত্রা, কবেই বা উল্টোরথ?

Rath Yatra: প্রকাশ্যে রথযাত্রা ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট; কবে স্নানযাত্রা, কবেই বা উল্টোরথ?

রথের ঠিক আগেই কেন লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান মহাপ্রভু?

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রথযাত্রা ২০২৬ কড়া নাড়ছে দরজায়। সনাতন ধর্মের অন্যতম বৃহৎ এই উৎসব ঘিরে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডের পাশাপাশি বাংলাতেও শুরু হয়ে গিয়েছে জোর প্রস্তুতি। পুরী, মাহেশ, কিংবা ইস্কনের মন্দির থেকে শুরু করে সাধারণ বনেদি বাড়ির ঠাকুরদালান, সর্বত্রই এখন সাজসাজ রব। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে সঙ্গে নিয়ে মাসির বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন জগন্নাথদেব। তবে এই যাত্রার নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে এক অদ্ভুত ও চমকপ্রদ প্রথা। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, রথের ঠিক আগেই কেন লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান মহাপ্রভু?

আরও পড়ুনঃ বুলডোজার উচ্ছেদ; অনেকের চোখ খুলে দেবে এই বুলডোজার! একটু ধৈর্য ধরুন সব বুঝতে পারবেন

পুরাণ মতে, স্নানযাত্রার দিনটি হল জগন্নাথদেবের জন্মদিন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ দিনে মহাপ্রভুকে মহাসমারোহে স্নান করানোর পর তাঁর প্রবল জ্বর আসে! এরপরই তিনি নিভৃতবাসে চলে যান। সুস্থ হয়ে ওঠার পর, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথে চড়ে দাদা ও বোনকে নিয়ে মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেন। এই যাত্রাই আমাদের কাছে ‘সোজা রথ’ নামে পরিচিত।

রথের দড়িতে টান দেওয়া বা রথের চাকায় হাত ছোঁয়ানো অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই দিনটিতে জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তির আশায় রথের দড়ি ছুঁয়ে দেখার জন্য ভিড় জমান। তবে এই যাত্রায় জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রা একা যান না। তিনটি আলাদা রথে তাঁদের সঙ্গে থাকেন বিশেষ দেব-দেবীরা। জগন্নাথের রথে তাঁর সঙ্গে থাকেন মদনমোহন। বলরামের রথের সঙ্গী হন রামকৃষ্ণ এবং সুভদ্রার রথে থাকেন সুদর্শনা।

আরও পড়ুনঃ জল্পনা রাজনৈতিক মহলে! ধর্নায় ‘কাদের লোক’ বেশি? ক’টা অভিষেকের লোক?

দীর্ঘ সাত দিন মাসির বাড়িতে কাটানোর পর যখন তাঁরা ফেরেন, সেটিই ‘উল্টোরথ’ বা পূর্ণ যাত্রা। কোনও কোনও পৌরাণিক আখ্যানে আবার বলা হয়, শ্রীকৃষ্ণের দীর্ঘ বিরহের পর বৃন্দাবনে ফিরে যাওয়ার স্মৃতি হিসেবেই এই উৎসব পালিত হয়। আর উৎসব মানেই তো বাঙালির প্রাণের আরাম। গ্রামবাংলায় এই সময় রথের মেলা ও যাত্রাপালার আয়োজন এক আলাদা উন্মাদনা তৈরি করে। জিলিপি, পাঁপড় ভাজা আর মাটির পুতুলের গন্ধে ম ম করে চারপাশ।

রথযাত্রা ২০২৬-এর শুভ দিনক্ষণ

শাস্ত্রমতে ভক্তিভরে এই উৎসব পালন করলে সারা বছর পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। ২০২৬ সালের রথযাত্রার নির্ঘণ্টটি হল:

স্নানযাত্রা: ২৯ জুন (১৪ জ্যৈষ্ঠ), সোমবার। (পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে ২৮ জুন রাত ২টো ৪৬ মিনিটে, থাকবে ২৯ জুন ভোর ৪টে ৪৬ মিনিট পর্যন্ত)।

রথযাত্রা: ১৬ জুলাই (৩১ আষাঢ়), বৃহস্পতিবার। (দ্বিতীয়া তিথি থাকবে ১৫ জুলাই বেলা ১টা ৪৬ মিনিট থেকে ১৬ জুলাই সকাল ১১টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত)।

উল্টোরথ (পুনর্যাত্রা): ২৪ জুলাই (৭ শ্রাবণ), শুক্রবার।

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন