বিশ্বকাপে একাধিক কীর্তি গড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। রাউন্ড অফ ৩২-র ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে একটি বিশ্বরেকর্ডও গড়েছেন। টপকে গিয়েছেন লিয়োনেল মেসিকে। পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে তৈরি হল আরও কয়েকটি নজির।
আরও পড়ুনঃ মাথায় হাত; অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ পোস্তা বাজার
ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন ৪১ বছর ১৪৭ দিন বয়সে। গোলও করেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নকআউট পর্বের গোলদাতাদের মধ্যে সিআর সেভেনই এখন সবচেয়ে ‘বুড়ো’ ফুটবলার। এত বয়সে আর কেউ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল করতে পারেননি। মেসির নজির টপকে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনি। গত ২৮ জুন জর্ডনের বিরুদ্ধে ৩৯ বছর ৪ দিন বয়সে গোল করেছিলেন মেসি। উল্লেখ্য, এই প্রথম বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল করলেন রোনাল্ডো। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন সিআর সেভেন। বিশ্বকাপ এবং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে ২৫টির বেশি গোল হয়ে গেল রোনাল্ডো। এমন কৃতিত্ব বিশ্বের আর কোনও ফুটবলারের নেই।
একই সঙ্গে রোনাল্ডো বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় বয়স্কতম ফুটবলার হিসাবেও গোল করার নজির গড়েছেন। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের রজার মিল্লা ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে গোল করেছিলেন। তাঁর পরই থাকবে ৪১ বছর ১৪৭ দিন বয়সের রোনাল্ডোর নাম।
আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপ যখন নাকের ডগায়; বিপদ বাড়তে চলেছে দক্ষিণবঙ্গের; তড়িঘড়ি ফিরে আসতে বলা হল মৎস্যজীবীদের
ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে নিজের ২৬তম ম্যাচ খেললেন রোনাল্ডো। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি এখন তৃতীয় স্থানে। এই রেকর্ড মেসির দখলে। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এখনও পর্যন্ত ২৯টি ম্যাচ খেলেছেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জার্মানির প্রাক্তন অধিনায়ক লোথার ম্যাথিউস। তিনি ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাথিউসকে ছুঁয়ে ফেলবেন সিআর সেভেন।
আরও একটি নজির গড়েছেন রোনাল্ডো। সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ খেললেন তিনি। ভেঙে দিয়েছেন বসনিয়া ও হারজেগোভিনার অধিনায়ক এডিন জেকোর রেকর্ড। আমেরিকার বিরুদ্ধে রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচ খেলেন ৪০ বছর ১০৬ দিন বয়সে। ২৩ ঘণ্টা পরই তাঁর রেকর্ড ছিনিয়ে নিলেন রোনাল্ডো। উল্লেখ্য, ৪০ বছর বা তার বেশি বয়স্ক প্রথম ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ খেলার নজির থাকল জেকোর দখলে।
পর্তুগালের বিরুদ্ধে লুকা মদ্রিচ খেললেন ৪০ বছর ২৯৬ দিন বয়সে। এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে এমন দু’জন ফুটবলার খেললেন, যাঁদের বয়স ৪০-র বেশি। ফলে নজির গড়ার ২৩ ঘণ্টা পরই জেকো চলে গেলেন তালিকায় তৃতীয় স্থানে।
পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ, যাতে এমন তিন জন খেললেন যাঁদের অন্তত ২০টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। রোনাল্ডো খেললেন ২৬তম ম্যাচ। মদ্রিচ খেললেন ২৩তম ম্যাচ। ইভান পেরিসিচ খেললেন ২১তম ম্যাচ।


