কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ
সোমবার নামচির সামারডুং-ঝোলুঙ্গে এলাকায় নির্মীয়মান NHPC তিস্তা স্টেজ-VI প্রকল্পের টানেলের ভিতরে বিস্ফোরণের পর ধস নামে। দুর্ঘটনার সময় টানেলের ভিতরে ২৭ জন শ্রমিক ছিলেন, যার মধ্যে ২ জন বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। উদ্ধার অভিযানে এপর্যন্ত ২০ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে ১৩ জনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে।
মৃতদের মধ্যে ৯ জন জলপাইগুড়ি জেলা, ২ জন আলিপুরদুয়ার জেলা, ১ জন পঞ্জাব ও ১ জন সিকিমের বাসিন্দা। এখনও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছে কেরলের ৪৩ বছর বয়সী ভূতত্ত্ববিদ অনীশ মোহন।
আরও পড়ুনঃ ‘ককরোচ’-দের পাশে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, মোদীর বাসভবনের বাইরে ধর্না
NHPC অনুমান করছে, টানেলের পাথরের স্তরে জমে থাকা মিথেন গ্যাস ফেটে বিস্ফোরণ ঘটেছে, যার ফলে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে। মিথেন গ্যাসের কারণে উদ্ধারকাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।
সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে দুর্ঘটনার কারণ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন।
সরকার নিহতদের প্রতি ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিহতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা সহায়তা ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুনঃ উত্তাল রাজধানী দিল্লি; ফের আসছে কৃষক বিক্ষোভের ঝড়?
পশ্চিমবঙ্গ সরকারও উদ্ধার কাজে সহযোগিতা এবং পরিবারদের সহায়তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। জলপাইগুড়ির পুলিশ ও প্রশাসন ঘটনাস্থলে রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য প্রার্থনা করেছেন।
উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে বাকি শ্রমিকদের দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাবে।


