দিল্লির ছাত্র আন্দোলনের চারদিন আগে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, বিদেশি শক্তির পরিকল্পনার আশঙ্কা
দিল্লির রাস্তায় চলমান তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনের চারদিন আগেই মার্কিন দূতাবাস একটি সতর্কবার্তা জারি করেছিল, যা এখন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ১৭ জুলাই লিক হওয়া ওই বার্তায় আমেরিকান নাগরিকদের দিল্লির সমাবেশ ও জমায়েত থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ঠিক চারদিন পর, ২০ জুলাই সিজেপি (ককরোচ জনতা পার্টি)-র ‘চলো সংসদ’ মার্চে তীব্র সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাসের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুনঃ আরশোলার দৌরাত্বে এত আগ্রহ শাবানার! ফাঁস ডিপ স্টেটের টাকা পাওয়া অভিনেত্রীর চক্রান্ত!
এই সময়ের ব্যবধান ও সতর্কতার প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যে, এই অরাজকতার পেছনে কোনো বিদেশি শক্তির পরিকল্পনা রয়েছে কি না। বাংলাদেশের চরমপন্থী সংগঠন জামাত এ ইসলামীও এই আন্দোলনকে সমর্থন দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এত নির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী সতর্কতা সাধারণ নিরাপত্তার অংশ নয়, বরং পরিকল্পিত তথ্যের প্রমাণ।
ছাত্র আন্দোলন মূলত NEET ও শিক্ষা সংক্রান্ত বৈধ দাবি নিয়ে শুরু হলেও সশস্ত্র উপাদান ঢুকে পড়ে এবং সংঘর্ষের রূপ নেয়, যা সাধারণ ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে মেলে না। ফলে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক এজেন্ডার সন্দেহ উত্থাপিত হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে, চিন, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ ভারতের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ভাঙার চেষ্টা করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, আমেরিকার মদতেও সন্দেহ রয়েছে।
এই পরিস্থিতি দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যেখানে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তৈরি করে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে এই আন্দোলনকে দেখা হচ্ছে।


