Saturday, 25 July, 2026
25 July
Homeআন্তর্জাতিক নিউজSaturn: শনিতে প্রতি বছর হাজার টন হিরে তৈরি হতে পারে, বলছেন বিজ্ঞানীরা

Saturn: শনিতে প্রতি বছর হাজার টন হিরে তৈরি হতে পারে, বলছেন বিজ্ঞানীরা

সেখানকার পরিস্থিতিতে তরল হিরের সমুদ্রও থাকতে পারে বলে কিছু বিজ্ঞানীর অনুমান।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে শনি গ্রহটি একটু দূরের হওয়ায় এর ওপর ব্যাপক গবেষণা করা কঠিন। তবে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, শনির অনন্য পরিবেশে প্রতি বছর হাজার টন হিরে তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ ‘শুক্রবারিরা চিহ্নিত’, সাংবাদিক নিগ্রহে কড়া শুভেন্দু

শনি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে প্রচুর কার্বন নিঃসরণ হয় এবং সেখানে বায়ুর চাপ ও তাপমাত্রা যথেষ্ট বেশি। বিজ্ঞানীদের মতে, এই পরিবেশ হিরে তৈরির জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। শনির বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে মিথেন গ্যাসের অণু বজ্রপাতে ভেঙে গিয়ে কার্বন উৎপন্ন হয়, যা ভুসাকালির মতো নিচে পড়ে।

নিচে নামার সঙ্গে সঙ্গে ওই কার্বন ধীরে ধীরে গ্রাফাইটে পরিণত হয় এবং গভীরে গিয়ে উচ্চ চাপে হিরেতে রূপান্তরিত হয়। তবে শনি গ্রহের বিশাল বায়ুমণ্ডলের কারণে বিভিন্ন স্থানে বায়ুর চাপ ও তাপমাত্রা ভিন্ন হওয়ায় কার্বনের বিভিন্ন রূপ তৈরি হয়।

উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেভিন বাইনেস ও নাসার যৌথ গবেষণায় এই ধারণা এসেছে। তিনি বিবিসিকে জানান, “আমরা রাসায়নিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় নিশ্চিত হয়েছি যে, শনিতে বছরে প্রায় ১০০০ টন হিরে তৈরি হতে পারে।”

বাইনেসের মতে, শনিতে তৈরি হিরের রূপও পরিবর্তিত হয় কারণ সেখানে তাপ ও চাপের মাত্রা অত্যন্ত বেশি। প্রায় ৩০ হাজার কিলোমিটার নিচে হিরের টুকরোগুলি পৌঁছালে তা তরলে রূপান্তরিত হতে পারে। এমনকি সেখানকার পরিস্থিতিতে তরল হিরের সমুদ্রও থাকতে পারে বলে কিছু বিজ্ঞানীর অনুমান।

আরও পড়ুনঃ তবে, আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির মতামত ভিন্ন। তারা মনে করেন, শনিতে এত পরিমাণ কার্বন নেই যে হিরে বৃষ্টি হতে পারে, বরং কার্বন স্ফটিকের মতো ছড়িয়ে পড়ে।

এখনো পর্যন্ত শনিতে হিরের উপস্থিতির সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মহাকাশযানগুলোর কোনো ছবি বা পর্যবেক্ষণে এটি ধরা পড়েনি। তাই এই রহস্য উদ্ঘাটনে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

শনি গ্রহের এই অনন্য রাসায়নিক ও শারীরিক পরিবেশ আমাদের সৌরজগতের রহস্য উন্মোচনে নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন