Sunday, 2 August, 2026
2 August
HomeদেশCJP: গুজরাতের RTI কর্মীর চিঠিতে শোরগোল! অভিজিৎ দিপকের বাবার সম্পত্তির উৎস ও...

CJP: গুজরাতের RTI কর্মীর চিঠিতে শোরগোল! অভিজিৎ দিপকের বাবার সম্পত্তির উৎস ও CJP-র ফান্ডিং ঘিরে তদন্তের দাবি

ককরোচ জনতা পার্টি একটি অনিবন্ধিত সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে প্রকাশ্যে নানাবিধ রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

সুরাট:

‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের (Abhijeet Dipke) বাবার আর্থিক লেনদেন ও অর্জিত সম্পত্তির উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে শোরগোল ফেলে দিলেন গুজরাতের সুরাটের এক তথ্য অধিকার (RTI) কর্মী। অমিত তিওয়ারি নামে ওই অধিকার কর্মীর অভিযোগ, মহারাষ্ট্র সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হওয়া সত্ত্বেও অভিজিৎ দিপকের বাবা কীভাবে ছেলেকে বিদেশে রেখে পড়াশোনার বিপুল খরচ জোগালেন, তা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ এবার বাংলায় ‘অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড’; দুই এসটিএফ সংযুক্তিকরণের পথে নবান্ন

কপিল সিব্বলের ১ কোটি টাকার আইনি তহবিলে জিএসটি (GST) হানার দাবি

শুধু দিপকের পারিবারিক সম্পত্তিই নয়, এর পাশাপাশি প্রবীণ আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল আন্দোলনকারীদের জন্য যে ১ কোটি টাকার ‘আইনি সহায়তার তহবিল’ (Legal Defence Fund) ঘোষণা করেছেন, তা নিয়েও নির্বাচন কমিশন ও আয়কর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন অমিত তিওয়ারি।

উল্লেখ্য, নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে সম্প্রতি এই ১ কোটি টাকার অর্থ সাহায্যের কথা জানিয়েছিলেন কপিল সিব্বল। কিন্তু একজন আইনজীবীর দেওয়া এই অনুদানের ওপর জিএসটি (GST) প্রযোজ্য হবে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য ‘কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক পর্ষদ’ (CBIC)-এর কাছে দরবার করেছেন ওই আরটিআই কর্মী।

আরও পড়ুনঃ নাশকতার প্যাটার্ন বদলাচ্ছে সন্ত্রাসবাদীরা? সন্ত্রাসবাদী নাশকতার নতুন ছক প্রকাশ্যে

‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র বৈধতা ও অনুদান নিয়ে প্রশ্ন

একই সঙ্গে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র রাজনৈতিক বৈধতা ও ফান্ড সংগ্রাহক সত্তা নিয়েও গুরুতর আইনি প্রশ্ন তুলেছেন অমিত তিওয়ারি।

তাঁর প্রধান অভিযোগগুলি হলো:

  • অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: ককরোচ জনতা পার্টি একটি অনিবন্ধিত সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে প্রকাশ্যে নানাবিধ রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে।

  • জনপ্রতিনিধিত্ব আইন লঙ্ঘন: ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯এ (Section 29A) ধারায় দলটি আদৌ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত (Registered) কি না, ১ কোটি টাকা অনুদান স্থানান্তরের আগে নির্বাচন কমিশনের তা কড়া হাতে যাচাই করা উচিত।

  • তহবিল সংগ্রহের আইনি ভিত্তি: কোনো দল বা সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত না হয়ে রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে জনসাধারণের থেকে বা কোনো মাধ্যম থেকে তহবিল সংগ্রহ কিংবা অনুদান গ্রহণ করতে পারে কি না, তা তদন্ত করে দেখার আবেদন জানানো হয়েছে।

একটি সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার জলঘোলা এবং আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তার মাঝে এই RTI কর্মীর আনা অভিযোগ ও চিঠিপত্র ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন