কলকাতা পুরসভার (KMC) পরিষেবা আরও সুসংহত ও বিকেন্দ্রীভূত করতে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগোল। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ১৪৪টি ওয়ার্ডকে ভেঙে মোট ২০৯টি ওয়ার্ড করার সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাস হয়েছে এবং তা এখন রাজ্যপালের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ তপসিয়া থেকে গ্রেপ্তার ইমরান; কলকাতায় ISI-এর স্লিপার সেলের ছক?
পুনর্বিন্যাসের মূল বিষয়সমূহ
-
আইনি প্রক্রিয়া: রাজ্যপালের স্বাক্ষরের পর গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে ২০৯টি ওয়ার্ডের সীমানা ও চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশ করা হবে। এরপর নাগরিক ও রাজনৈতিক দলগুলি তাদের মতামত বা আপত্তি জানাতে পারবে।
-
ওয়ার্ড বিভাজন: বর্তমান ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫৮টি ওয়ার্ডকে ভেঙে ১২৩টি নতুন ওয়ার্ড করা হচ্ছে। বাকি ৮৬টি ওয়ার্ড সরাসরি না ভাঙলেও সীমানা, আয়তন ও ক্রমিক সংখ্যায় পরিবর্তন আসবে।
-
প্রভাবিত এলাকা: ১, ৩, ৫-১২, ১৪, ১৮, ২৩, ২৫-৩০, ৩২-৪০, ৪১, ৪৪, ৪৭-৪৯, ৫১, ৫৪-৫৫, ৫৭-৬২, ৬৫-৬৬, ৬৮-৭৫, ৭৭-৭৯, ৮১-৮৪, ৮৮-৯০, ৯২, ৯৪, ৯৯-১০৪, ১০৬-১০৯, ১১১-১১৬, ১২১-১২৮, ১৩০, ১৩৪-১৩৮ এবং ১৪১ নম্বর ওয়ার্ডগুলিতে বড় ধরনের পরিবর্তন বা বিভাজন ঘটতে চলেছে।
আরও পড়ুনঃ বাজেনি ফায়ার অ্যালার্ম, বন্ধ ছিল এমার্জেন্সি এক্সিট গেট! এত মৃত্যু দায় কার!
উদ্দেশ্য ও সুবিধাসমূহ
-
জনসংখ্যার ভারসাম্য: বড় ওয়ার্ডগুলির বিপুল ভোটার সংখ্যা ও জনসংখ্যাকে ভাগ করে প্রতিটি ওয়ার্ডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনা।
-
দ্রুত নাগরিক পরিষেবা: ওয়ার্ডের আয়তন ছোট হলে পুরকর্মীদের ওপর কাজের অতিরিক্ত চাপ কমবে, ফলে তৃণমূল স্তরে পানীয় জল, সাফাই ও অন্যান্য পুরপরিষেবা দ্রুত ও সহজে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে বিভাগ বোঝাতে ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ব্যবহার করা হলেও খসড়া বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিটি ওয়ার্ডের নতুন নির্দিষ্ট ক্রমিক নম্বর, সীমানা ও বুথ নম্বর স্পষ্ট করা হবে।


