উৎসবের মরশুমের ঠিক মুখেই বাজারে বড় ধাক্কা। মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে খুচরো বাজারে চিনির দাম কেজিপ্রতি প্রায় ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুদিন আগেও যে চিনি কেজিপ্রতি ৪৫ টাকায় পাওয়া যেত, বর্তমানে ২০ আগস্ট তা বেড়ে ৬৫ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। হঠাৎ এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চরম দুশ্চিন্তায় সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে শুরু করে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার রাস্তায় পথদুর্ঘটনার কবলে অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে আশঙ্কা
-
মিষ্টি ও বেকারি সামগ্রী: সামনেই উৎসবের মরশুম থাকায় মিষ্টি, বিস্কুট, বেকারি পণ্য এবং ঠান্ডা পানীয়ের উৎপাদন খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। এর ফলে সরাসরি প্রভাব পড়বে ক্রেতাদের পকেটে।
-
দৈনন্দিন সংসারের খরচ: গৃহস্থালির নিত্যদিনের চা, কফি এবং মিষ্টি পদ তৈরির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাসিক বাজেট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অঙ্ক নয়, পুরভোটে নয়া ফর্মুলা বামফ্রন্টের
চিনির যোগান স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট বা অসাধু মজুতদারি বন্ধ করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার:
-
মজুত সীমা হ্রাস: আগে ব্যবসায়ী ও সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ ৩০ দিনের প্রয়োজনীয় চিনি মজুত রাখতে পারত। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সেই সীমা কমিয়ে ১৫ দিন করা হয়েছে।
-
কার্যকরের সময়সীমা: এই নির্দেশিকাটি আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে এবং ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
সরকারের এই হস্তক্ষেপের পর বাজার দর ফের নিয়ন্ত্রণে আসে কি না, সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।


