পূর্ব বর্ধমান (East Burdwan) জেলার জামালপুর থানার অন্তর্গত মুইদিপুর গ্রামে মাঝরাতে ঘটে গেল এক দুঃসাহসিক ও ভয়াবহ চুরির ঘটনা। রাত আনুমানিক ১:৪৫ থেকে ২:০০ টা নাগাদ দুষ্কৃতীরা গ্রামের পরপর চারটি জায়গায় হানা দিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার গহনা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে চম্পট দেয়।
সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে গ্রামের এক ৭০ বছরের বৃদ্ধার সঙ্গে। ঘুমন্ত অবস্থায় দুষ্কৃতীরা তাঁর সোনার কানের দুল টেনে ছিঁড়ে নেয়। রক্তে ভেসে যায় বৃদ্ধার বিছানা ও বালিশ।
দুষ্কৃতী দলটি কেবল বাসিন্দাদের বাড়িতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, গ্রামের একাধিক মন্দিরেও তাণ্ডব চালায়।
আরও পড়ুনঃ বন্ধ হচ্ছে ডাকঘর, চিঠি দেবে ড্রোন, বদলাবে রূপ! প্রযুক্তির মেলবন্ধনে ‘স্মার্ট’ হচ্ছে ইন্ডিয়া পোস্ট
মন্দিরে তাণ্ডব: একটি মন্দিরের ঠাকুরের সোনার পৈতে, অন্য একটি মন্দিরে রাখা রুপোর চেয়ার এবং আরও একটি মন্দিরের ঠাকুরের বিগ্রহ থেকে সোনার চোখ খুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।
পুলিশ ক্যাম্পের কাছেই অপরাধ: আশ্চর্যজনকভাবে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ২ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে একটি পুলিশ ক্যাম্প অবস্থান করা সত্ত্বেও এত বড় অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও পড়ুনঃ সিবিআইকে ডেডলাইন কলকাতা হাইকোর্টের, দ্বিতীয় দফার তদন্ত তিন সপ্তাহে শেষ করতে হবে
ঘটনার তদন্তে নেমে এলাকার সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে জামালপুর থানার পুলিশ। ফুটেজে দেখা গেছে, মোট ৪ জন দুষ্কৃতী এই চুরির সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাদের মুখ কাপড়ে ঢাকা থাকায় তারা পুরুষ না মহিলা, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। পুলিশ আশেপাশের অন্যান্য সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। এই ঘটনায় সমগ্র এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


